কৃষি

ধানক্ষেতে আগুন ধরিয়ে দিয়ে আরেক কৃষকের প্রতিবাদ

  

পিএনএস ডেস্ক:ধানের দাম কম হওয়ায় এবং শ্রমিক না পাওয়ায় ফের টাঙ্গাইলে ধানক্ষেতে আগুন ধরিয়ে প্রতিবাদ করেছেন এক কৃষক। সোমবার বিকালে বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের কাশিল গ্রামে এ প্রতিবাদ জানান কৃষক নজরুল ইসলাম।তিনি বলেন, বাজারে প্রতি মণ ধানের দাম ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকা। অথচ এক মণ ধানের উৎপাদন খরচ প্রায় ৭০০ টাকার ওপরে। এ ছাড়া বর্তমানে একজন ধানকাটা শ্রমিকের মজুরি ৭০০ থেকে থেকে ৭৫০ টাকা। আর একজন শ্রমিক এক দিনে এক থেকে দেড় মণ ধান কাটতে পারে। ক্ষেতে পাকা ধান থাকলেও শ্রমিক সঙ্কটের কারণে কাটতে পারছি না। এ

ধান কাটা মাড়াইয়ের ভরা মৌসুম ॥ শ্রমিকের চরম সংকট

  

পিএনএস, গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলায় বোরো ধান কাটা মাড়াইয়েল ভরা মৌসুম চলছে। কিন্তু ধান কাটা শ্রমিকের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। এক মণ ধানের দামেও মিলছে না একজন শ্রমিক। কেননা একজন শ্রমিক ধান কাটতে সাড়ে ৪শ’ টাকা থেকে ৫শ’ টাকা মজুরী নিয়ে থাকে। আবার চুক্তিবদ্ধ শ্রমিকদের দ্বারা এক বিঘা জমির ধান কাটতে শ্রমিক খরচ লাগছে ৪ হাজার টাকা। ফলে এ জেলার বোরো চাষিরা বিপাকে পড়েছে। জমিতে উৎপাদিত ধান বিক্রি করেও খরচ উঠছে না। জানা গেছে, বৃষ্টি ও প্রখর রোদ থাকায় এবার জমির ধান একসাথে দ্রুত পেকে

চারা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে নার্সারী ব্যবসায়ীরা

  

পিএনএস, পাইকগাছা (খুলনা) : খুলনার পাইকগাছার নার্সারী গুলিতে চারা তৈরীতে ব্যস্ত সময় পার করছে নার্সারী মালিক ও শ্রমিকরা। মাতৃগুণ বজায় রাখা, দ্রুত ফলন ধরা, রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়ানো এবং অধিক ফলন পেতে অঙ্গজ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। গাছের চারা তৈরীর পদ্ধতির নাম কলম। এ কলম তৈরীতে রয়েছে নানা নাম ও পদ্ধতি যেমন, গুটি কলম, চোখ কলম বা বাডিং, গ্রাফটিং বা জোড় কলম, কাটিং বা উপজোড় কলম পদ্ধতি উল্লেখযোগ্য। উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্রায় ৫ শতাধিত নার্সারী গড়ে উঠেছে। যার উল্লেখ যোগ্য সংখ্যা

শসা চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে কৃষক

  

পিএনএস ডেস্ক: শসা চাষ করে অল্প সময়েই সাবলম্বী হয়েছেন টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার মোকনা, পাকুটিয়া ও মামুদনগরের প্রান্তিক চাষীরা। উচ্চ ফলনশীল জাতের হাইব্রিড আলাভী ৩৫ ও কাশিন্দা জাতের শসা চাষ করে এ এলাকার চাষীরা এখন স্বাবলম্বী। বেটুয়াজানী গ্রামের চাষী রফিক মিয়া দুই বিঘা জমিতে গত ফেব্রুয়ারি মাসে শসা চাষ শুরু করে এ পর্যন্ত তিন শত মন শসা বিক্রি করেছেন। আরও দুই থেকে আড়াই’শ মন শসা বিক্রি হবে বলেও দাবি করেন তিনি।শসা চাষে এ এলাকার চাষীদের সাফল্য দেখে উপজেলার অন্য এলাকার চাষীরাও আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

সেই বেগুনি রংয়ের ধান ভাল হয়নি

  

পিএনএস, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের চড়ারহাটের পশ্চিম পার্শ্বে বিরামপুর-ঘোড়াঘাট পাকা সড়কের উত্তর ধারে নজর কাড়া বেগুনি রংয়ের সেই ধান ক্ষেতটি তেমন ভাল হয়নি। উপজেলার পুটিমারা ইউনিয়নের দঃ জয়দেবপুর গ্রামের আঃ হামিদের ছেলে কৃষক আঃ হাকিম ওই বেগুনি রংয়ের ধান চলতি বোরো মৌসুমে চাষ করেছিল। হাকিম জানায় গত মৌসুমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা এলাকা থেকে বীজ ধান নিয়ে এসে গত ফেব্রুয়ারী মাসের ২ তারিখে পরিক্ষামূলক ভাবে ৩৩ শতাংশ জমিতে চারা রোপন করে। এ

বেগুন চাষে ব্যাপক সাফল্য

  

পিএনএস, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : বেড পদ্ধতিতে বেগুন চাষ করে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের সীচা গ্রামের কৃষক আলী হায়দার। উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় সঠিকভাবে আধুনিক বেড পদ্ধতি প্রয়োগ করে বেগুন চাষ করায় সকলের নজর কেড়েছে এই কৃষক। তার এই সাফল্য দেখে এখন অনেকে বেগুন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। এছাড়া রাজস্ব প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ১০ জন কৃষক বিটি বেগুন চাষ করছে। উপজেলার চরাঞ্চলে কৃষিতে অভাবনিয় সাফল্যের মুখ দেখেছে কৃষকরা। উপজেলার

ফণীতে ক্ষতিগ্রস্ত ৬৩ হাজার হেক্টর জমির ফসল: কৃষিমন্ত্রী

  

পিএনএস ডেস্ক : সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে বাংলাদেশের ৩৫ জেলার ২০৯ উপজেলায় প্রায় ৬৩ হাজার ৬৩ হেক্টর জমির ফসল আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। ক্ষতিগ্রস্ত এসব কৃষকদের সরকারের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে বীজ ও আর্থিক সহযোগিতা দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।মঙ্গলবার সচিবালয়ে ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে গত ৪ মে সকালে অনেকটা দুর্বল হয়ে

বোরো ধান কাটা শ্রমিক সংকট, ১ মণ ধানে একজন শ্রমিক

  

পিএনএস, বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাট সহদেশের সব এলাকাতেই প্রায় শুরু হয়ে এসেছে মাঠ থেকে সোনালী ফসল ঘরে তোলার ধুম। ফলে চলতি বোরো মৌসুমের ধান কাটা ও মাড়াই শেষে গোলায় তুলতে এখন ব্যস্ত চাষিরা।এক মণ ধানের দামেও মিলছে না একজন শ্রমিক। ফণির তাণ্ডবে কৃষকরা আধাপাকা ক্ষেতের ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করলেও শ্রমিক সংকটের কারণে তা হয়ে উঠেনি।মাঠে একযোগে ধান কাটা শুরু হওয়ায় এই সংকট দেখা দিয়েছে। নতুন ধান বিক্রি হচ্ছে প্রতি মণ সাড়ে শ’ ৫থেকে ৬শ’টাকা দরে। অথচ একজন শ্রমিকের দাম হাকানো হচ্ছে সাড়ে ৪শ’ থেকে ৫শ’

ডিমলায় বোরো ধানে ভালো ফলন পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি!

  

পিএনএস, ডিমলা (নীরফামারী) প্রতিনিধি : নীলফামারী ডিমলা উপজেলা সদর ইউনিয়ন বাবুর হাট ব্লোকে কৃষক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম শুকনো অবস্থায় জমিতে আগাম বোরো ফসল বিঘা প্রতি ১৮ মণ ব্রী-ধান-৮১ নমুনা ফসল কর্তন করায় সন্তষ প্রকাশ করেছেন। তার এ ফসল দেখে উক্ত এলাকার অনেক কৃষকেই ওই ফসল ফলানোর আগ্রহ প্রকাশ করেন। ৫মে সকাল ১১টায় নমুনা ফসল কর্তনের সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (কৃষিবিদ) মোঃ সেকেন্দার আলী। আরো উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার কনক চন্দ্র রায়, সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ সাইফুর

ফণীর ঝড়বৃষ্টি ও শ্রমিক সংকটে ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক

  

পিএনএস, তানোর (রাজশাহী) সংবাদদাতা : ঘূর্ণিঝড় ফণীর ঝড়বৃষ্টিতে মাঠভরা পাকা ধান পানি বন্দি হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি ক্ষেতে পাকা ধান পানি মধ্যে শুয়ে পড়েছে। এ নিয়ে বিপাকে কৃষক। আর এই বিপাকে ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে ধান কাটা শ্রমিক সংকট। এদিকে ধানের দাম কম। অন্যদিকে ধানকাটা শ্রমিক যা পাওয়া যাচ্ছে তাও মজুরী বেশী। এ নিয়ে কৃষক রীতিমত দিশেহারা হয়ে পড়েছে। নির্ঘুম রাত পার করছেন কৃষক ঘরে কাঙ্খিত ফসল তুলতে না পেরে।গোল্লাপাড়া গ্রামের জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কৃষক নূর মোহাম্মদ বলেন, বিঘা প্রতি ধান

Developed by Diligent InfoTech