পাউবো’তে ডিপিএম-এর নামে হচ্ছেটা কি?

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : পাউবো’র ভিতরেও ঢুকে পড়েছে ডিপিএম নামের দুর্নীতির ভূত। ডিপিএম-এর নামে এখানে নানা আর্থিক কেলেঙ্কারী হচ্ছে। এই কেলেঙ্কারীর খবর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাণেও পৌছেছে বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সূত্র মতে, বিগত অর্থ বছরে পাউবো’র যে ৬/৭ টি প্রকল্প রুগ্ন প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে তার সবগুলোই ডিপিএম-এর মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এই প্রকল্পগুলোর কোন কোনটির কিয়দংশ সম্পাদিত হলেও অনেকগুলোই এখনও শুরুই হয়নি। এগুলোর কয়েকটি আবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত প্রকল্প। ডিপিএম-এর মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পে স্থায়ী প্রতিরক্ষা কাজ শুরু না হওয়ায় ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। এতে করে দুর্দশাগ্রস্থ লোকজনের কষ্ট আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রকল্প সন্নিহিত এলাকায় গেলে লোকজন নানা ধরণের অশ্রাব্য ভাষার গালমন্দ করে থাকে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত একটি পাম্প হাউজের কাজও ঝুলে রয়েছে।

সূত্র মতে, কয়েকজন চিহ্নিত ঠিকাদারের সাথে প্রভাবশালীদের রহস্যজনক ঘনিষ্ঠতা থাকায় তারাই ডিপিএম-এর বেনিফিসিয়ারী। এই বেনিফিসিয়ারীরাই তাঁদের অফিসে বসে প্রভাবশালীদের সাথে সম্পাদিত লেনদেনের কথা বেঁফাস ভাবে বলে দিচ্ছে যা প্রভাবশালীদের মান-মর্যাদা ধুলিস্যাত করছে।

সূত্র জানায়, ডিপিএম-এর মাধ্যমে সম্পাদিত পাউবো’র ‘মুসাপুর ক্লোজার’ কিংবা ভৈরব নদ পুনঃখনন প্রকল্প যথাক্রমে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে। এভাবে যে সমস্ত প্রকল্পে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী সরাসরি সম্পৃক্ত হয়েছে সেগুলোর ব্যাপারে কারো কোন আপত্তি নেই কিংবা থাকার সুযোগও নেই। কিন্তু ডিপিএম-এর নামে বাস্তবায়নাধীন মুখ থুবড়ে পড়া অনেক প্রকল্প নিয়েই নানা ধরণের কথা উঠেছে। কোন কোন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এতো বেশী কাজ পেয়েছে যে, কাজের ভাড়ে এগুলোর সোজা হয়ে দাঁড়ানো কষ্টকর হয়ে পড়েছে। ডিপিএম-এর গডফাদার বলে পরিচিত কেউ কেউ নিজে সাব-কন্ট্রাক্ট নিয়ে আবার তা সাব-কন্ট্রাক্ট দিচ্ছে। ফলে কাজের গতি ও মান কমছে। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে নতুন করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় ভেবে দেখলে তা সরকার ও দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে। (চলবে)

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech