তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণ, মূমুর্ষূ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি

  

পিএনএস : সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলার কেড়াছাগাছি ইউনিয়নের পশ্চিম বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর এক ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে।

আহত ৯ বছরের ওই শিশুটিকে মূমুর্ষূ অবস্থায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির নানী বাদি হয়ে কলারোয়া থানায় সোহাগ সরদার নামে এক যুবককে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে।

এদিকে সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার সাজ্জাদুর রহমান সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে যান এবং ডাক্তারের সাথে তার চিকিৎসার খোজ খবর নেন। ঘটনার পর থেকে ধর্ষক পালাতক রয়েছে।

কলারোয়া থানার সেকেন্ড অফিসার আমিরুল ইসলাম ও কেড়াছাগাছি ইউপি চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন হাবিল জানান, কলারোয়া উপজেলার কেড়াছাগাছি ইউনিয়নের পশ্চিম বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রী ৯ বছরের শিশু কন্যা ওই গ্রামে তার নানীর বাড়ীতে থেকে লেখাপড়া করে আসছে।

আজ শনিবার সকাল ১১টার দিকে বোয়ালিয়া গ্রামের তার নানীর বাড়ীর পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে গোসল করতে গেলে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা একই গ্রামের শামছুর রহমানের ছেলে লম্পট সোহাগ সরদার তাকে জাপটে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় মেয়েটির আর্তচিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় লম্পট সোহাগ সরদার (২৭)। ঘটনার পরপরই আহত ৯ বছরের ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বর্তমানে মেয়েটি গাইনি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুটির নানী বাদী হয়ে কলারোয়া থানায় ওই বখাটে সোহাগ সরদারকে আসামী করে একটি ধর্ষনের মামলা দায়ের করেন। মামলা নাম্বার-৩৬। পুলিশ জানায় আসামি গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সাতক্ষীরারা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ফরহাদ জামিল জানান, মেয়েটি এখনও শঙ্কামুক্ত নয়। তার প্রচুর রক্ত ক্ষরণ হয়েছে। সকল ধরনের মেডিকেল সাপোর্ট দেওয়া হচ্ছে।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech