মাকে বেঁধে মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা!

  

পিএনএস ডেস্ক : পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার কুয়াকাটায় মাকে বেঁধে রেখে ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সেরাজপুর এলাকায় নিজ বসতঘরে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিবস্ত্র অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এছাড়া আহত অবস্থায় মা সালমা বেগমকে উদ্ধার করে কুয়াকাটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

লাশ ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে ঘটনার সাথে কারা জড়িত তা নিশ্চিত কিংবা এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহতের চাচা মো. ইউসুফ ঘরামী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে একদল দুর্বৃত্ত তার ভাই ইসমাইল ঘরামীর ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। এসময় মা দৌড়ে পাশের বাড়ি গিয়ে ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার দিয়ে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। চিৎকারে আসেপাশের লোকজন এসে ঘরে ছোট্ট দুই শিশুকে দেখতে পেলেও ৬ষ্ঠ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর ঘরের দোতলায় বিবস্ত্র অবস্থায় তাকে পাওয়া যায়। এসময় তার শরীরের স্পর্শকাতর অঙ্গ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে দেখে স্থানীয়রা দ্রুত কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় ওই ছাত্রীর বাবা ইসমাইল ঘটরামী ঘরে ছিলেন না।

মা ও মেয়ে উভয়েই গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলেও ধারণা করছেন তিনি।

সেরাজপুর গ্রামের আবুল কালাম সাংবাদিকদের জানান, ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কুয়াকাটা হাসপাতালের চিকিৎসক মো. আরিফুজ্জামান জানান, শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা গেছে। তবে প্রাথমিকভাবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তিনি কিছু বলতে পারেননি।

মহিপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাফিজুর রহমান জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে কি কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এটি ময়না তদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

পিএনএস/জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech