সমাজসেবা অধিদপ্তর মানেই অনিয়ম ও দুর্নীতি : পর্ব-১

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : সমাজসেবা অধিদপ্তর মানেই অনিয়ম ও দুর্নীতি। অধিদপ্তরের নিবন্ধন কর্মকর্তাদের অনেকেই নিবন্ধনের নামে আন্ডার টেবিল হ্যান্ডশেক করতেই অধিকতর আগ্রহী। বিভিন্ন সোসাইটি ও সমিতির কাজ কর্মে অযাচিত হস্তক্ষেপ করে তাদের দুই পক্ষের নিকট থেকেই তারা ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে থাকে।

অধিদপ্তরের অধীন এতিমখানা, দিবা যত্ন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় রয়েছে নানা কিছিমের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ। বিশেষ করে ঢাকা জেলা উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের কয়েকজন দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা বিভিন্ন সোসাইটি বা সমিতির তদন্তের নামে পুরো সোসাইটিকে গিলে খাওয়ার ধান্ধা করছে।

অহেতুক অভিযোগ উপস্থাপন করিয়ে সোসাইটির দণ্ডমুন্ডের কর্তা সেজেছে এবং লুটপাট চালিয়ে যাচ্ছে। এমনও দেখা গেছে কোনো ছলছতোয় কোনো সমিতি বা সোসাইটিতে একবার প্রশাসক প্রবেশ করতে পারলে তা আর তারা অবমুক্ত করতে চায় না। বছরের পর বছর সেখানে বসে বসে প্রশাসকরা শোষকের মতো সব কিছু চুষে চুষে খেয়ে থাকে। কোন কোন সোসাইটিতে বা সমিতিতে বছরের পর বছর প্রশাসক বসে আছেন। আবার একই প্রশাসক অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে আছে। এই কথিত প্রশাসকের পক্ষে শোষণ করা ছাড়া আর কোন দায়িত্বই পালন করা সম্ভব হয় না।

পর্যালোচনায় দেখা গেছে, যে সমস্ত সোসাইটি মহল্লাবাসীর কল্যাণে বা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে সেখানেও তারা প্রবেশ করেছে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের প্রশাসক এখানে সমাজ সেবায় কোনো ভূমিকা রাখতে না পারলেও মহল্লাবাসীর মধ্যে পক্ষ-বিপক্ষ ধরিয়ে দিচ্ছে।

উপরোক্ত অভিযোগের ব্যাপারে সমাজসেবা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা উপ-পরিচালকের কাছে এই প্রতিবেদক জানতে চান তার এলাকায় কতোগুলো সমিতি বা সোসাইটি রয়েছে? উত্তরে তিনি বলেন, ‘এই ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই’।

অভিজ্ঞমহল মনে করেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের ঢাকা জেলা উপ-পরিচালকের কার্যালয়ের অধীনে কতোগুলো সোসাইটি বা সমিতিতে প্রশাসকের লীলা-খেলা চলছে, কতোগুলোতে তদন্ত চলছে এবং সেগুলোর বর্তমান অবস্থা কি সে ব্যাপারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয় ব্যবস্থা চেয়ে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে পারে। ভূক্তভোগীমহল এ ব্যাপারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

পিএনএস/জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন