বিদেশে শ্রমিক বেশি গেলেও রেমিট্যান্স আসছে কম

  



পিএনএস: বিদেশে শ্রমিক বেশি গেলেও রেমিট্যান্স আসছে কম। অর্থাৎ সরকারি ভাবে রেমিট্যান্সের হিসাব কমলেও অবৈধ পথে আসা রেমিট্যান্স সরকারের হিসাবের খাতায় উঠছে না। ২০১৬ সালে বিদেশ গেছে সাড়ে ৭ লাখের বেশি( ৭লাখ ৫৭ হাজার ৭৩১ জন/ ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব)। আর রেমিট্যান্স এসেছে ১ লাখ ৭ হাজার ২৯৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা(১৩ হাজার ৬০৯ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। আগের ২০১৫ সালে একই সময় পর্যন্ত শ্রমিক গিয়েছিল ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৮৮১ জন আর রেমিট্যান্স এসেছিল ১ লাখ ১৯ হাজার ৩৬৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা(১৫ হাজার ২৭০ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন ডলার)। ২০১৪ সালে শ্রমিক গিয়েছিল ৪ লাখ ২৫ হাজার ৬৮৪ জন, রেমিট্যান্স এসেছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ৯৬৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা(১৪ হাজার ৯৪২ দশমিক ৫৭ মিলিয়ন ডলার)। সূত্রঃ বিএমইটি।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম প্রধান খাত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স। তবে এ অর্থের প্রায় ২৫ শতাংশই আসছে অবৈধ পথে। আর অবৈধ ও রেকর্ডবিহীন এসব লেনদেনের ফলে সরকার প্রতি বছর বিদেশী মুদ্রার পাশাপাশি হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্বও। মূলত বিদেশী মুদ্রার বিনিময় মূল্য, অর্থ পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের অসহযোগিতামূলক মনোভাবের কারণে প্রবাসীরা বৈধ পথে অর্থ না পাঠিয়ে হুন্ডিসহ বিভিন্ন অবৈধ উপায় বেছে নিচ্ছেন।

সাধারণত ব্যাংক, ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন, মানিগ্রাম এবং পোস্ট অফিস ব্যবহার করে যখন প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠান; সেটাকে তখন বৈধ চ্যানেল বলা হয়। আর এর বাইরে অপ্রচলিত কোনো মাধ্যমে অর্থ লেনদেন হলেই সেটা অবৈধ মাধ্যম। এসব অবৈধ মাধ্যমের অন্যতম হুন্ডি। এছাড়া বিদেশে অবস্থান করা বন্ধু অথবা পরিচিত কেউ দেশে ফিরলে তার মাধ্যমেও অর্থ পাঠান প্রবাসীরা, যেগুলো অপ্রচলিত বা অবৈধ পথ হিসেবে গণ্য। কারণ এ অর্থের কোনো হিসাব থাকে না সরকারের কাছে। হুন্ডির বাইরে এখন মোবাইল ব্যাংকিং-এ অবৈধ ভাবে বেশি পরিমাণ টাকা বিদেশ থেকে পাঠানো হচ্ছে।

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech