৩০০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি!

  

পিএনএস ডেস্ক :রমজান মাসের জন্য ঢাকা দক্ষিণের সিটি কর্পোরেশন গরু ও খাসির মাংসের দাম কেজি প্রতি যথাক্রমে ৫২৫ ও ৭৫০ টাকায় বেঁধে দিয়েছে। কোন দোকানি এর চেয়ে বেশি দাম রাখলে তার শাস্তি হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাইদ খোকন। কিন্তু রোজার মাস আসতে না আসতেই বেড়ে যায় মাংসের দাম। যা গরুর মাংসের দামের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলকই বলা যায়!

মঙ্গলবার (৭ মে) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে গরুর মাংস বিক্রি হতে দেখা গেছে কেজি প্রতি ৬০০ টাকা। রোজার শুরুতে গরুর মাংসের এই উর্ধমুখী দামে হতাশ ক্রেতারা।

মাংস ব্যবসায়ী সমিতির মহাসচিব রবিউল আলম বলেন, গেল তিন বছরে বাংলাদেশে মাংসের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। চাঁদাবাজরা যদি পশুর ওপর চাঁদাবাজি বন্ধ করে, তাহলে কেজি প্রতি ৩০০ টাকায়ও মাংস বিক্রি করা সম্ভব।

এরআগে সিটি করপোরেশন থেকে ৫২৫ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রির জন্য দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। কল্যানপুর ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে সিটি করপোরেশনের ধার্যকৃত মূল্যের চেয়ে কোথাও ১০০ টাকা বেশি দরে মাংস বিক্রি করতে দেখা গেছে। গত বছরের রোজার সময় সিটি করপোরেশন গরুর মাংসের দাম নির্ধারণ করে ৪৫০ টাকা।

ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির নবনির্ধারিত দাম অনুসারে প্রতি কেজি দেশি গরুর মাংস ৫২৫ টাকা, বিদেশি গরুর মাংস ৫০০ ও মহিষের মাংস ৪৮০, খাসির মাংস ৭৫০ এবং ভেড়া ও ছাগীর মাংস ৬৫০ টাকা ধরে বিক্রির জন্য দাম বেঁধে দেয়া হয়।

যদিও ডিএসসিসির ঘোষণায় বলা হয়, মাংসের নবনির্ধারিত দামের ক্ষেত্রে যাতে কোনো অনিয়ম না হয় সেজন্য ৭ মে থেকেই বাজারে থাকবে ডিএসসিসির বাজার মনিটরিং টিম। বেঁধে দেয়া এই দাম না মানলে কোনো ব্যবসায়ীর অনিয়মের অভিযোগ ও প্রমাণ পাওয়া গেলেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গাবতলী হাটের ক্রেতা রবিউল আলম বলেন, কর্পোরেশন চাইলে চাঁদাবাজি এক মিনিটে বন্ধ করতে পারে। কিন্তু যেহেতু এখানে কোটি কোটি টাকার স্বার্থ জড়িত, তাই আন্তরিকতার অভাব আর কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে চাঁদাবাজি বন্ধ করা যাচ্ছ না। তাছাড়া চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত ইজারাদাররা সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত না হলেও তাদের সহযোগিতায় রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালীরা থাকতে পারেন।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech