সবজিতে স্বস্তি, অস্বস্তি তেলে

  

পিএনএস ডেস্ক: চাল, ডাল, চিনি ও ভোজ্য তেলের বাজারে অস্বস্তি কাটেনি। নির্ধারিত দামের থেকে বেশি দামে তেল বিক্রি করা হচ্ছে খুচরা বাজারে। এ মূল্য আরো এক দফা বৃদ্ধি হতে পারে বলে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন। দফায় দফায় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধিতে কপালে ভাঁজ পড়েছে সাধারণ মানুষের।

খুলনার বড়বাজারের কয়েকটি দোকান ঘুরে জানা গেছে, পুষ্টি (৫ লিটারের বোতল) ৬০০ টাকা, ফ্রেস (৫ লিতারের বোতল) ৬৩০ টাকা, তীর (৫ লিটারের বেতল) ৬৩০ টাকা, রুপচাদা (৫ লিটারের বোতল) ৬৩৫ টাকা, বসুন্ধরা (৫ লিটারের বোতল) ৬০০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১২৪ টাকা পঞ্চাশ পয়সায় বিক্রি করা হচ্ছে।

অপরদিকে খুচরা বাজারে তীর (৫ লিটারের বোতল) ৬৪০ টাকা, ফ্রেস (৫ লিটারের বোতল) ৬৪০ টাকা, রুপচাদা (৫ লিটারের বোতল) ৬৫০ টাকা, বসুন্ধরা (৫ লিটারের বোতল) ৬৪০ টাকা এবং খোলা তেল প্রতি কেজি ১৩৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

এছাড়া শীতের সবজির দাম নাগালের মধ্যে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কয়েক দিনের ছুটির কারণে বাজারে ক্রেতা সমাগম কম। লালশাক, পালংশাক, বাটি, কলমি, পুঁইশাকসহ নানা রকম শাক এসেছে বাজারে। এর পাশেই শোভা পচ্ছে হলুদ কুমরো ফুল। দাম প্রতি আটি ১০ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে।

শীত শেষ হলেও বাজারে শীতের সবজির আধিক্য বেশি। তিনদিনের ছুটিতে অনেকে ঢাকা ছাড়ায় ক্রেতা কম। দামও নাগালের মধ্যে। লাউ ৫০-৬০, বাঁধাকপি-২৫, আলু-১৮, বেগুন-৫০ , শিম-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজির দর সহনীয় হলেও চড়া মাছের বাজার। ভোজনরসিক ক্রেতাদের চোখ দেশি মাছের দিকে হলেও খাল বিল পুকুরের মাছের চেয়ে চাষের মাছই বেশি। দামও বেশি। চড়া দাম ইলিশের। চিংড়ি-৬০০, বাতাশি ৬০০, বাইন ৬০০, শোল ৪৫০, বোয়াল ৭০০ আর রূপচাঁদা-৯০০ টাকা।

ব্রয়লার মুরগির দাম ১০ টাকা বেড়ে এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা। প্রতি ডজন ডিম কিনতে গুনতে হবে ৮০-৮৫ টাকা। আর গরুর মাংস ৫৫০ ও খাসি বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮৫০ টাকায়।


পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন