বিসিএসে ক্যাডারে সফলতায় উচ্ছ্বসিত জবি

  


পিএনএস ডেস্ক: বিসিএসে তিন ক্যাডারে সফলতায় উচ্ছ্বসিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। তিন বিভাগে প্রথম হয়ে কৃতিত্বের অধিকারী হয়েছেন তিন জন শিক্ষার্থী।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এমন কৃতিত্বের ঘটনা এটাই প্রথম। এই কৃতিত্বের অধিকারী তিনজন হলেন প্রশাসনে প্রথম ইসমাইল হোসেন, তথ্য ক্যাডারে প্রথম সারাহ ফারজানা হক ও পরিসংখ্যানে প্রথম মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে ১৫৯ বছরের বর্ণাঢ্য ইতিহাস। ১৮৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ব্রাহ্ম স্কুলের নাম বদল করে বালিয়াটির জমিদার কিশোরীলাল চৌধুরী তাঁর বাবার নামে ১৮৭২ সালে জগন্নাথ স্কুল নামকরণ করেন।

১৮৮৪ ও ১৯০৮ সালে যথাক্রমে এটি দ্বিতীয় ও প্রথম শ্রেণির কলেজে উন্নীত হয়। ওই সময় এটিই ছিল ঢাকার উচ্চশিক্ষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ২০০৫ সালে জাতীয় সংসদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৫ পাসের মাধ্যমে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয়টি অনুষদের ৩১টি বিভাগ ও একটি ইনস্টিটিউট শিক্ষা কার্যক্রম চলছে।

প্রশাসন ক্যাডারে প্রথম হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ থেকে পাস করা ইসমাইল হোসেন।

তিনি যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল থেকে এসএসসি ও সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন। ফলাফলও ভালো। দুটোতেই জিপিএ-৫। ৩৬তম বিসিএস ছিল ইসমাইলের জীবনের প্রথম কোনো চাকরির পরীক্ষা। ইসমাইলের বাবা এ এফ এম কবির আহমেদ ঢাকাতেই ব্যবসা করেন। মা ফয়জুন্নেসা গৃহিণী। ছোট ভাই এইচএসসি পাস করে বাবার সঙ্গে ব্যবসার কাজ করছেন। বড় বোন আইনজীবী। আর আরেক বোন ৩৫তম বিসিএসে ননক্যাডারে মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক হয়েছেন।

তথ্য ক্যাডারে প্রথম হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সারাহ ফারজানা হক। তিনি পাস করেছেন আইন বিভাগ থেকে। আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পাস করেছেন বরগুনা সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে। উচ্চমাধ্যমিকও পড়েছেন মানবিক বিভাগে। বরগুনা সরকারি কলেজ থেকে পেয়েছেন জিপিও-৫। ৩৬তম বিসিএস ছিল সারাহ ফারজানার দ্বিতীয় বিসিএস। এর আগে ৩৫তম বিসিএসে ননক্যাডারে দ্বিতীয় শ্রেণির চাকরি পেয়েছিলেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যার বিভাগের তৃতীয় ব্যাচের মোহাম্মদ কামাল হোসেন। পরিসংখ্যান ক্যাডারে প্রথম হয়েছেন তিনি। তবে এটা তাঁর জীবনের প্রথম বিসিএস। ভালো ফলের কারণ বললেন নিজেই। তিনি বলেন, লেগে ছিলাম ভালো ফল হবে, এই আশায়। পড়াশোনার পথটা সহজ ছিল না। কামাল চাঁদপুরের হাইমচরের আলগীবাজার সিনিয়র মাদ্রাসা থেকে ২০০৪ সালে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছেন। এছাড়া অনার্সে ৩ দশমিক শূন্য ৩ ও মাস্টার্সে ৩ দশমিক ৪৭ পেয়েছেন।

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech