অভিনেত্রী সারিকার সংসার ভাঙনের সুর

  

পিএনএস ডেস্ক : ছোট পর্দার জনপ্রিয় মডেল, অভিনেত্রী সারিকার সংসারে ভাঙনের সুর। গুঞ্জন রটেছে, গত মাসে স্বামী মাহিম করিমের সঙ্গে সারিকার ডিভোর্স হয়েছে।
জানা যায়, বিয়ের পর শোবিজ থেকে বছর দুয়েক নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন সারিকা। এরই মধ্যে তাদের সংসারে আলো করে আসে এক কন্যা সন্তান। এবছর রোজার ঈদে মিডিয়ার চেনা আঙিনায় ফেরে আসেন এই অভিনেত্রী।
মিডিয়ায় নিয়মিত হওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই এই গ্ল্যামার গার্লকে ঘিরে ফের তৈরি হয় চাহিদা। বেড়ে যায় তার ব্যস্ততা। শুরুতে মিডিয়ায় ফিরতে অনুপ্রাণিত করলেও কাজ শুরুর পর সারিকার শুটিংয়ে পুরোপুরি ডুব দেওয়া সহজভাবে নিতে পারেননি তার স্বামী মাহিম।
জানা যায়, সেখান থেকেই শুরু হয় মনোমালিন্য। অভিমানী আর খেয়ালি প্রকৃতির সারিকা স্বামীর এই আচরণে ক্ষুব্ধ হন। দূরত্ব তৈরি হয় দুজনের মাঝে। সেই দূরত্ব এখন ডালপালা মেলে ছড়িয়েছে বহুদূর। আর এখন শোনা যাচ্ছে বিচ্ছেদের সংবাদ।
মাহিমের ঘনিষ্টজনরা জানান, সারিকার মিডিয়ায় কাজ করাকে পছন্দ করছিলেন না। এই নিয়ে সারিকার সঙ্গে বেশ কয়েকবার তাদের মধ্যে ঝগড়াও হয়। অবশেষে বনিবনা না হওয়ায় সারিকা ও মাহিমের মধ্যে ডির্ভোস হয়। কন্যাকে নিয়ে অভিমানী সারিকা এখন আছেন তার বাপের বাড়িতে।
এ বিষয়ে সারিকা জানান, ‘স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া্ হতেই পারে। আর মাহিম কখনো আমার মিডিয়ার কাজ নিয়ে বাঁধা দেয়নি। এসব মিথ্যা কথা। আমি আবার মিডিয়ায় কাজ শুরু করেছি। তাই কন্যাসহ বাপের বাড়িতে আছি।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ভালোবেসে মাহিম করিমকে বিয়ে করেন মডেল ও অভিনেত্রী সারিকা। হঠাৎ করেই ঘরোয়া আয়োজনে তার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। মাহিম পেশায় ব্যবসায়ী। বিয়ের অনুষ্ঠান হয়েছে উত্তরায় মাহিম করিমের বাসায়। এ সময় দুই পরিবারের সদস্যরাই শুধু ছিলেন।
তখন অবশ্য অভিনয়ের ব্যাপারে সারিকা বলেছেন, ‘একেবারেই ইচ্ছে নেই। যদি কখনো শখ হয়, তাহলে হয়তো একটা কিংবা দুটো কাজ করতে পারি।’
উল্লেখ্য, সারিকা মডেলিং শুরু করেন ২০০৬ সালে আর অভিনয় ২০১০ সাল থেকে। কিন্তু হঠাৎ ২০১৩ সালের এপ্রিল মাসে তিনি নাটক ও মডেলিং থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন। এরপর আর ক্যামেরার সামনে দাঁড়াননি তিনি।
২০০৬ সালে একটি মোবাইল কোম্পানির মডেল হয়ে সবার নজর কাড়েন সারিকা। এর চার বছর পর আশুতোষ সুজনের ‘ক্যামেলিয়া’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করেন।
সারিকা অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে মোহন খানের ‘রাধা তুমি কার’, এস এ হক অলিকের ‘গেন্দুচোরা ও প্রেমকাহিনী’, হিমেল আশরাফের ‘প্রেমের বেদনা’, চয়নিকা চৌধুরীর ‘আহা বালিকা’ ও বিকেলে সোনা রোদ’, সাইফ চন্দনের ‘একটু বোকামি অনেকটা পাগলামী’ ইত্যাদি।

পিএনএস/হাফিজুল ইসলাম

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech