প্রাকৃতিক উপায়ে চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধ

  

পিএনএস ডেস্ক: চিকুনগুনিয়া ঢাকাবাসীর কাছে এখন একটি আতঙ্কের নাম। এই রোগের বাহক হচ্ছে মশা। আপনার সচেতনতাই এই রোগের থাবা থেকে আপনাকে নিরাপদ রাখতে পারে। হাজার বছর ধরে প্রাকৃতিক ও ভেষজ ওষুধ আমাদের সুরক্ষা দিয়ে আসছে। তেমনি একটি প্রাকৃতিক ওষুধ হলো করপুর। যা মশার উপদ্রপ থেকে আপনার পরিবারকে সুরক্ষিত রাখার জন্য একমাত্র উপাদান। মশা নিধনকারী ওষুধ হিসেবে করপুর হচ্ছে উত্তম ও কার্যকরী। এটার গন্ধ মশাকে দূরে রাখে। এখন দিনে দিনে আমাদের দেশে ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া বেড়েই চলছে। এখন বাজারে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে যা সম্পূর্ণ কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি এবং আমাদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ দুটোর জন্যেই ক্ষতিকর।

আজ থেকে ৫০ বছর আগে যদি আমরা তাকাই, তখন সবাই সন্ধ্যার সময় ধূপ জ্বালাত করপুর পুড়িয়ে। এটা বাতাস শুদ্ধ করে এবং ক্ষতিকারক পোকা-মাকড়, মশা বিভিন্ন কীটনাশক দূরে রাখে। তখন এসব রোগের নাম শোনা যায়নি যা এখন দেখা দিচ্ছে। করপুর তেল হিসেবে ব্যবহারের মাধ্যমে শ্বাস-প্রশ্বাস, মাংসপেশির বিভিন্ন ব্যথার নিরাময় করতে সাহায্য করে।

আমরা অনেকেই করপুর সম্পর্কে সচেতন নই। এটা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই একটি সহজ সমাধান এবং খুব সাশ্রয়ী। এটি তিনভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।

১. করপুর ধূপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এটা বাতাস বিশুদ্ধ করবে এবং মশা দূরে রাখবে। এটি দিনে দুইবার করতে পারেন। সকালে ও সন্ধ্যায়।

২. যে-সব স্থানে মশার বিচরণ বেশি বিশেষ করে ঘরের কোণে ছড়িয়ে রাখতে পারেন করপুর।

৩. একটি বাটিতে হাল্কা গরম পানি নিয়ে করপুর দিন। দিয়ে আপনার ঘরে রেখে দিন। পানি ও করপুরের পরিমাণ নির্ভর করবে আপনার ঘরের আয়তনের ওপর। করপুর যখন পানির সঙ্গে মিশ্রিত হতে থাকবে তখন করপুরের একটা গন্ধ ছড়াবে যা মশাকে দূরে রাখবে। দুইদিন পর পর পানি পরিবর্তন করতে পারবেন এবং ওই পানি আপনি ঘর মোছার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন। এটি ব্যবহারের সুফল পেয়ে আপনি বিস্মিত হবেন। এত স্বল্প খরচে এবং সহজ কিছু পদ্ধতিতে আপনি ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া নামক রোগ থেকে মুক্তি পাবেন।
লেখক : নন্দিতা শারমিন
হারবালিস্ট ও ডায়েটেশিয়ান

পিএনএস/হাফিজুল ইসলাম

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech