`আমরা রোহিঙ্গা ভাই-বোনদের মাঝে আশা জাগাতে চাই’ - আন্তর্জাতিক - Premier News Syndicate Limited (PNS)

`আমরা রোহিঙ্গা ভাই-বোনদের মাঝে আশা জাগাতে চাই’

  


পিএনএস ডেস্ক: মায়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের গণহত্যার বিষয়ে সরব ভূমিকা পালন করা তুরস্ক বিশ্বের সবচেয়ে ‘নিপীড়িত সংখ্যালঘু’ রোহিঙ্গাদের জন্য সাহায্য পাঠানো অব্যাহত রেখেছে।

তুরস্কের ইস্তাম্বুলভিত্তিক ইসলামিক ফিন্যান্স ব্যাংক ‘কুভেইত টার্ক’ রোহিঙ্গাদের জন্য ১০ লাখ লিরা (তুরস্কের মুদ্রা) বা ২ লাখ ৮৬ হাজার ডলার সাহায্য দিয়েছে। শুক্রবার তুর্কি রেড ক্রিসেন্টকে ওই সাহায্য হস্তান্তর করে ব্যাংকটি।


এই অর্থ রোহিঙ্গাদের জন্য আশ্রয়, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও ঔষধ ক্রয়ে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়।


তুর্কি রেড ক্রিসেন্টের প্রেসিডেন্ট ড. কারিম কিনিক জানান, তারা রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু শিবিরে ২৪,০০০টি অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ করবে।


তিনি বলেন, ‘আমাদের নাগরিকদের সচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রয়োজন ৫০ মিলিয়ন ডলার সম্পদ। তাই দান এবং সমর্থন অব্যাহত রাখতে হবে। রাখাইনের মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত অবনতি ঘটছে।’


‘কুভেইত টার্ক’ ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার উফুক ওয়েআন জানান, তারা এই মানবিক সাহায্য প্রদান করতে পেরে অত্যন্ত খুশি।


তিনি বলেন, ‘আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গ্রাহকরা রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য এ সাহায্য দিয়েছেন। এই সাহায্যের মাধ্যমে আমরা আমাদের রোহিঙ্গা ভাই ও বোনদের মাঝে আশা জাগ্রত করতে চাই। আমরা আশা করি রোহিঙ্গা মুসলমানরা খুব শিগগিরই এই অত্যাচার থেকে রক্ষা পাবে এবং তারা শান্তি খোঁজে পাবে।’


রোহিঙ্গা ইস্যুসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ইস্যুতে জাতিসংঘে বক্তব্য রাখছেন এরদোগান


রোহিঙ্গারা কয়েক প্রজন্ম ধরে মিয়ানমারে বসবাস করে আসলেও তাদেরকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়নি এমনকি মৌলিক অধিকারগুলোও দেওয়া হয়নি। তারা বঞ্চিত হয়ে আসছিল চলাফেরার স্বাধীনতা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সুবিধা থেকে।


গত ২৫ আগস্ট কয়েকটি পুলিশ ফাঁড়ি ও সেনা ক্যাম্পে সন্ত্রাসী হামলার পরিপ্রেক্ষিতে রোহিঙ্গাদের উপর অভিযান শুরু করে মায়ানমার সেনাবাহিনী। এতে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছে চার লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা।


পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের অভিযোগ রাখাইন রাজ্য থেকে তাদেরকে সমূলে উৎখাত করতে পোড়ামাটি নীতি গ্রহণ করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। হত্যা, ধর্ষণ, বেপরোয়া গুলিবর্ষণের পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।

সূত্র: তুর্কি ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ‘ইয়েনি সাফাক’

পিএনএস/হাফিজুল ইসলাম

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech