যৌন জীবনসহ ৩০০টি প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে হানিপ্রীত!

  

পিএনএস ডেস্ক:হানিপ্রীতকে গ্রেফতারের পরই তার কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখে ভারতের পুলিশ। কিন্তু সবই কৌশলে এড়িয়ে যায় হানিপ্রীত।

কখনো জানায়, তথ্য জানা নেই তার। বার কয়েক চেষ্টার পর পুলিশ বুঝে যায় এভাবে মচকালেও ভাঙবে না হানিপ্রীত। এরপরই কৌশলে হানিপ্রীতকে গোপন ডেরায় তুলে নিয়ে গিয়ে লাগাতার জেরা শুরু করে পুলিশ। প্রায় ৩০০টি প্রশ্ন করা হয় তাকে। পুলিশকে এক এক করে সবগুলো প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য হচ্ছেন হানিপ্রীত।

রাম রহিমের যৌন জীবন, রাম রহিমের সঙ্গে তার সম্পর্ক, ডেরায় হিংসার ঘটনা, সাধ্বীদের ধর্ষণের মতো একাধিক বিষয় নিয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়। লাগাতার জেরার মুখে নিজেকে আর সামলাতে পারেনি হানিপ্রীত। অবশেষে সে স্বীকার করেছে পঞ্চকুল্লায় হিংসার ঘটনার ছক কষেছিল সে নিজেই। ১৭ আগস্ট ডেরায় বসে পুরো ঘটনার ব্লুপ্রিন্ট তৈরি হয়।

কোন পথে হিংসা ঘটানো হবে, সেই ম্যাপও তৈরি করা হয়। যা হানিপ্রীতের ল্যাপটপ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। হিংসা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ডেরার শীর্ষ পদে থাকা ব্যক্তিদের। ল্যাপটপটি হস্তগত হওয়ার পর থেকেই পুরো ঘটনায় হানিপ্রীতের ভূমিকা জানতে আর বাকি নেই পুলিশের। পুলিশের আশা, ল্যাপটপ থেকে ডেরার আর্থিক লেনদেনেরও হদিশ মিলবে। যদিও হানিপ্রীতের ফোনের এখনও খোঁজ পায়নি পুলিশ। বিদেশে কাকে ফোন করত সে, তাও জানা যায়নি। হানিপ্রীত জানিয়েছে, তার ফোনটি হারিয়ে গিয়েছে। যদিও হানিপ্রীতের ছায়াসঙ্গী শুখদীপ কউর জানাচ্ছেন, সেটি উত্তরপ্রদেশ বা রাজস্থানেই কোথাও লোকানো আছে।

ডেরার পরিচালনায় হিংসার ঘটনায় আদিত্য ইনসান, পবন ইনসান এ গোবি রামকে খুঁজছে পুলিশ। যদিও এখনও তাদের সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র তথ্য ফাঁস করেনি হানিপ্রীত। আর তাই তার পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে। দেশটির পুলিশ মনে করছে, জেরার মুখে হানিপ্রীত যেভাবে ভেঙে পড়ছে, তাতে করে কোন তথ্য বেশিদিন সে গোপন করতে পারবে না।

পিএনএস/আলআমীন

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech