ভারতে পর্নো দেখে স্ত্রীকে বাধ্য করেন স্বামী! অতঃপর...

  

পিএনএস ডেস্ক: নীল ছবির ধাক্কায় বেসামাল সাংসারিক জীবন। প্রথমে কিছু বলতে না পারলেও, স্বামীর এই বদভ্যাস আর বরদাস্ত করতে রাজি নন স্ত্রী। প্রতিদিনই স্বামী অফিস থেকে এসেই বসে পড়েন মোবাইল কিংবা কম্পিউটার নিয়ে। মত্ত হয়ে পড়েন পর্নের জগতে।

বাড়িতে এর সুরাহা করতে না পেরে, শেষে পর্নোগ্রাফিক ওয়েবসাইট বন্ধ করতে সর্বোচ্চ আদালতের দারস্থ হয়েছেন ওই মহিলা।

দ্য টেলিগ্রাফ সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বইয়ের এক মহিলা সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টে পর্নো ওয়েবসাইটগুলি বন্ধ করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। ওই মহিলার দাবি, তার স্বামী পর্নো ছবির প্রতি ভীষণ আসক্ত হয়ে পড়েছেন। যার জেরে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক একাবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে বলে দাবি ওই মহিলার।

জানা গেছে, কলকাতার বাসিন্দা ওই মহিলা ২০১৬ সালে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করে মহারাষ্ট্রে চলে যান। মহিলার দাবি, তার স্বামী ১৯৯০ সালে অর্থাৎ ছোটবেলা থেকে পর্নে আসক্ত। কিন্তু তিনি বিয়ের পরেই গোটা ব্যাপরটি জানতে পারেন।

২৭ বছর বয়সী ওই মহিলার আরও অভিযোগ, বেশ কয়েকদিন ধরে তার স্বামী অস্বাভাবিক আচরণ শুরু করেছেন। মাঝে মধ্যে ওই মহিলার স্বামী পর্ন ছবি দেখার পর তার সঙ্গে অস্বাভাবিক যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে বাধ্য করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালের শেষ দিকেও এক মহিলা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তিনিও তার স্বামীর বিরুদ্ধে কার্যত একই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন।

তবে ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার শিশু পর্নোগ্রাফির উপর সম্পূর্ণভাবে নিষেধাজ্ঞাও জারি করেছে।

পিএনএস/আলআমীন

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech