দ্বিতীয় মেয়াদে নিকোলাস মাদুরো ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত

  

পিএনএস ডেস্ক: গত ছয় বছর যাবত ক্ষমতায় থাকা নিকোলাস মাদুরো দ্বিতীয় মেয়াদে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন। বিতর্কিত এক নির্বাচনে মাদুরো নির্বাচিত হয়েছেন বলে দলটির বিরোধী দল অভিযোগ করছে।

বিরোধী জোট জালিয়াতির অভিযোগ এনে ভোটের ফল প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা এ নির্বাচনকে সমর্থন দেবে না।

ভেনিজুয়েলায় যখন চরম অর্থনৈতিক মন্দা চলছে, তার মধ্যেই রবিবার (২০ মে) দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। মাত্র ৪৬ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হেনরি ফ্যালকন ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরই নির্বাচন বয়কট করেন। তিনি বলেছেন, আমরা এই নির্বাচনকে বৈধ বলতে পারি না। আমরা নতুন নির্বাচন দাবি করছি।

তবে ফ্যালকন ভোট জালিয়াতির অভিযোগ আনলেও সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে।

দেশটির ন্যাশনাল ইলেক্টোরাল কাউন্সিলের প্রধান তিবিসে লুসেনা ঘোষণা করেছেন, ৯০ শতাংশ ভোট গণনা হয়েছে। এর মধ্যে ৫৫ বছর বয়সী মাদুরো পেয়েছেন ৬৭ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট। আর ফ্যালকন পেয়েছেন ২১ দশমিক ২ শতাংশ ভোট।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন বলেছে, তারা এ নির্বাচনকে স্বীকৃতি দেবে না। ভোটের আগেই জাতিসংঘে মার্কিন মিশন টুইটারে বলেছে, নির্বাচনের এই প্রক্রিয়া ‘গণতন্ত্রের সঙ্গে ঠাট্টার শামিল’।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে। কিন্তু দেশটির ন্যাশনাল কনস্টিটিউয়েন্ট অ্যাসেম্বলি, যার বেশির ভাগ সদস্য মাদুরোপন্থী, আগাম নির্বাচনের পক্ষে সমর্থন দেয়।

বিরোধী পক্ষ ডেমোক্রেটিক ইউনিট বলছে, তাদের জোটের মধ্যে ভাঙন ধরিয়ে একটি সুযোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দুইজন শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি। তাছাড়া অনেক প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ থেকে পালিয়েছে।

বিবিসি বলছে, এ অবস্থায় একমাত্র অপেক্ষাকৃত কম শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ফ্যালকন। যিনি দেশটির সাবেক নেতা হুগো শ্যাভেজের আমলে গভর্নর ছিলেন। তিনি মাদুরোর সোশ্যালিস্ট পার্টিতেই ছিলেন। কিন্তু ২০১০ সালে তিনি বিরোধী পক্ষে যোগ দেন। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech