কোন পথে ঘূর্ণিঝড় ‘কালমেগি’, প্রকাশ্যে এল নাসার স্যাটেলাইট চিত্র

  


পিএনএস ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই সংবাদ শিরোনামে ঘূর্ণিঝড় কালমেগি। এবার সেই ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধির ছবি প্রকাশ করল নাসা। ১৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় এই ঝড় আছড়ে পড়ার কথা। কিন্তু ঠিক কোনদিকে অভিমুখ এই ঝড়ের, সেই তথ্যই এবার সামনে এল।

জানা গেছে, গত ২০ নভেম্বর ফিলিপাইনের সব থেকে উত্তরের দ্বীপ লুজো পেরিয়েছে এই ঝড়। দক্ষিণ চীন সাগরের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে সেই ঝড়। আর মাঝ সমুদ্রে দমকা হাওয়ার মুখোমুখি হয়েছে সাইক্লোন কালমেগি। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের বাতাসের মুখোমুখি হলে সাধারণত সাইক্লোনের গতি বাধা পায়। ফিলিপাইনে এই ঝড়ের নাম সাইক্লোন র্যা্মন।

২০ নভেম্বর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা থেকে ১০৯ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল কালমেগি। তখনই সতর্কবার্তা জারি করে স্থানীয় আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণ-পশ্চিমের দিকে তখন এগোচ্ছিল এই ঝড়।

এরপর ২১ নভেম্বর নাসার অ্যাকোয়া স্যাটেলাইটে ধরা পড়েছে সেই ছবি। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ঝড়ের কোনও আকার নেই। এর অর্ধ হল, ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে ওই ঝড়। যে কোনও ঝড় সম্পর্কে তথ্য দেয় নাসার এই স্যাটেলাইট।

ইতোমধ্যেই এই ঝড়ের জন্য ৫ হাজার মানুষকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ফিলিপাইন প্রতিবছরই বড়সড় ঘূর্ণিঝড়ের শিকার হয়। বলা যায়, দেশটি প্রতিনিয়ত বাঁচে ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে লড়াই করে। কিন্তু উল্লেখযোগ্যভাবে গত প্রায় ১ বছরে তেমন কোনও বড়সড় ঘূর্ণিঝড় এই ভূখণ্ডে হানা দেয়নি। অবশেষে আসতে চলেছে কালমেগি। স্থানীয়রা অবশ্য এই ঝড়কে কালমেগি বলছেন না। তারা নাম দিয়েছেন রামন।

ফিলিপাইনের কাগায়ান প্রদেশের ওপর এই ঝড় আছড়ে পড়ার কথা। এখান দিয়েই স্থলভাগে প্রবেশ করবে সেটি। তার আগে এই বিশাল এলাকাজুড়ে প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সমুদ্রের কাছে থাকা মানুষজনকে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। ৫ হাজার মানুষকে সরানো হলেও আরও বহু মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ফিলিপাইন বহু ঝড় সামলে অভ্যস্ত। তাই আগে থেকে যাবতীয় বন্দোবস্ত রাখতে চাইছে তারা। সম্পত্তি নষ্টের আতঙ্ক তো রয়েছেই। তবে তার আগে দরকার মানুষের প্রাণ রক্ষা। সূত্র: কলকাতা২৪

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech