ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়ার পর ওই চাকরির আয়ের টাকা হালাল না হারাম?

  

পিএনএস ডেস্ক : বেসরকারি টেলিভিশনে সরাসরি ইসলাম নিয়ে প্রশ্নোত্তরমূলক বিশেষ অনুষ্ঠান ‘শরিফ মেটাল প্রশ্ন করুন।’ এ অনুষ্ঠানে কোরআন ও হাদিসের আলোকে দর্শক-শ্রোতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়। এবারের পর্বে উত্তর দিয়েছেন বায়তুল মোকাররমের সম্মানিত সিনিয়র পেশ ইমাম এবং ভারপ্রাপ্ত খতিব হজরত মাওলানা মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী।

প্রশ্ন : সন্তানের বাবা মা কিংবা পরিবারের সদস্যরা আকিকার মাংস খেতে পারবেন কী না?
উত্তর : আকিকা হলো সুন্নত। আকিকার গোশত হলো উৎসব আনন্দের গোশত। সন্তান হওয়ার পর সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হয় বাবা মা। আর বাবা-মাই যদি এটা খেতে না পারেন তাহলে এটাতে আর আনন্দ থাকলো কী। সেজন্য এটাকে বরকত মনে করেই খেতে হবে।

প্রশ্ন : ঘুষ দিয়ে চাকরি নেওয়ার পর ওই চাকরির আয়ের টাকা হালান না হারাম?
উত্তর : প্রথমত ঘুষ দেওয়াটাই হারাম। ঘুষ দেওয়ার পর আপনি যে চাকরিটা নিয়েছেন সেখানে দুইটি বিষয় হতে পারে। একটা হচ্ছে চাকরিটা পাওয়ার জন্য আপনি যোগ্য ছিলেন, কিন্তু ঘুষ না দেওয়ার জন্য চাকরিটা হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে ঘুষ দিয়ে চাকরি পেলে আপনার চাকরিটা জায়েজ হবে। কিন্তু ঘুষ দেওয়াটা নাজায়েজ হবে। আবার চাকরির জন্য যোগ্য না হওয়ার পরও যদি ঘুষ দিয়ে চাকরি নেন, তাহলে পুরো জীবনে যা উপার্জন করেছেন তার সবটাই হারাম হবে।

প্রশ্ন : নামাজ পড়ার সময় শিশুরা যখন বিরক্ত করে কিংবা ঘাড়ের ওপর উঠে থাকে, এসব কারণে নামাজ ভঙ্গ হবে কিনা?
উত্তর : শিশুদের জন্য ধৈর্য প্রদর্শন করা আল্লাহর পক্ষ থেকে বড় ধরনের নেয়ামত। রাসূলুল্লাহ (সা.) নামাজ পড়ার সময় হাসান-হোসেইন উনার ঘাড়ে বসে থাকতেন। এমনও হয়েছে যে হাসান-হোসেইন ঘাড় থেকে পড়ে যাবেন এই ভয়ে দোয়া শেষ হওয়ার পড়েও তিনি সিজদা থেকে উঠতেন না। অতএব বাচ্চারা ঘাড়ে বসে থাকলে নামাজ হবে না সেটা ঠিক নয়। তবে সিজদার জায়গায় বসলে দুহাত দিয়ে না সরিয়ে একহাত দিয়ে আস্তে করে সরিয়ে দেবেন। তাহলে নামাজ ভঙ্গের কারণ হবে না। তবে দুই হাত দিয়ে সরালে নামাজ ভঙ্গের কারণ হতে পারে।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন