মশার কামড়ে অদ্ভুত রোগে আক্রান্ত শিশু!

  

পিএনএস ডেস্ক: মশার কামড়কে আমরা তেমন কিছু মনে করি না! কিন্তু এ মশা মানুষের জীবন মরণ সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে, তারই নির্দশন দেখা গেল থাইল্যান্ডে। সেখানে মশার কামড়ে দুই বছরের এক শিশু ভয়ংকর রোগে আক্রান্ত হয়েছে। ডাক্তাররা এখনও তার রোগ নির্ণয় করতে পারেনি।

শিশুটির নাম মোমো। বয়স মাত্র দুই বছর। পরিবার সূত্রে জানা যায়, জন্মের কয়েকমাস পর তার পায়ে মশা কামড় দেয়। সে কামড়েই শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। তখন ডাক্তার তার চিকিৎসা করে বাড়ি ফেরত পাঠায়।

কিছুদিন পর শিশুটির পায়ে আবার ফুসকুড়ি দেখা দিলে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার পরিবার। ডাক্তার তখন ফুসকুড়ি উঠার স্থানটি সার্জারি করে কেটে ফেলেন। কিন্তু তাতেও কোন কাজ হয়নি। আরও কিছুদিন পর আবার ক্ষত সৃষ্টি হয়। এখন মেয়েটির বয়স দুই বছর। তার দুই পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুসকুড়ি উঠে চামড়া উঠে সাদা হয়ে যাচ্ছে। মাঝে মাঝে অসহ্য ব্যথা ও চুলকানিতে ছটফট করছে শিশুটি। আর এখন হাঁটতেও পারে না শিশুটি।

আক্রান্ত স্থানের চামড়ায় ফুসকুড়ি উঠে সাদা হয়ে গেছে। সেখানে অসহ্য ব্যথা করে ও চুলকায়
মোমোর চিকিৎসার জন্য এখন পর্যন্ত অনেক ডাক্তার দেখানো হয়েছে। কিন্তু তারা তার রোগ সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে পারেনি। তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না। তার মা একজন রাবার ট্যাপার অর্থাৎ রাবার গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করেন তিনি। অনেক টাকা খরচ করে মেয়ের ভালো চিকিৎসা করা তার পক্ষে সম্ভব না।

ব্রিটেনের ইউনিভার্সিটি অব লিডের গবেষকরা জানান, মশা বা অন্যকোন মশা জাতীয় কীটপতঙ্গে কামড়ালে সেই স্থান চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে। তাহলে রোগ ছড়িয়ে পড়া থেকে কিছুটা মুক্তি পাওয়া যাবে।

ড. ক্লিভে ম্যাককিম্মে নামে এক গবেষক বলেন, ‘মশার কামড় শুধু বিরক্তিকরই নয়। এটা মানবদেহে ভাইরাস ও বিভিন্ন রোগ বিস্তার করতে সাহায্য করে। আমরা এমন এক ওষুধ আবিষ্কার করার চেষ্টা করছি, যে ওষুধ মশার কামড়ের পর শরীরে লাগালে রোগ বা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া থেকে পাওয়া যাবে।’

পিএনএস/আলআমীন

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech