বাংলাদেশের মানুষের অর্থায়ন বাড়াতে আগ্রহী বিশ্বব্যাংক

  

পিএনএস: বাংলাদেশের দরিদ্র নারীদের পরিবর্তন দেখে আমি খুব খুশি। এদেশের মানুষের বর্তমান অবস্থা বিশ্বব্যাংককে অর্থায়ন বাড়াতে উৎসাহিত করেছে।
আজ মঙ্গলবার বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রাকুদিয়া গ্রামে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত সোশ্যাল ডেভেলপমেট ফাউন্ডেশনের (এসডিএফ) ‘নতুন জীবন’ প্রকল্প পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ খুব পরিশ্রমী; তারা সহজে পিছিয়ে পড়েন না। এ অঞ্চলের মানুষ ভালো কাজ করতে জানেন। বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান এ অবস্থা বিশ্বব্যাংককে আরও অর্থায়নে উৎসাহিত করছে।
জিম ইয়ং কিম বলেন, এখানকার দরিদ্র নারীদের পরিবর্তন দেখে আমি খুব খুশি। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এই দরিদ্র নারীরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। মাছের চাষ, গাভি পালনসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তারা। সুবিধা নিয়েছেন—এমন নারীদের সঙ্গে আলাপ করে বুঝলাম, এই নারীরা এখন আত্মপ্রত্যয়ী। তাদের সন্তানরা এখন স্কুলে যায়। তাদের আরও উন্নয়ন দেখতে চাই।
এসময় রাকুদিয়া গ্রামে শিউলি বেগম ও কোহিনুর বেগমের গাভির খামার, কম্পোস্ট সার প্রস্তুত প্রকল্প, মাছের মিশ্র চাষ প্রকল্প পরিদর্শন করেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট।
দরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাকুদিয়া গ্রামে নতুন জীবন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এই গ্রামে ৪৭৬টি পরিবার রয়েছে। সেখান থেকে দরিদ্র, অতি দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও বিত্তবান পরিবার চিহ্নিত করা হয়।
বিশ্বব্যাংকের এ প্রকল্পের সুবিধা নিয়ে স্বাবলম্বী হওয়া মনি রানী শীল বলেন, দরিদ্র ও অতি দরিদ্র নারীদের নিয়ে সমিতি গঠনের মাধ্যমে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। সমিতির নারীদের আয় বাড়াতে বিভিন্ন কাজে ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়। এসব কাজের মধ্যে আছে সবজি চাষ, মাছ চাষ, গাভি পালন, কম্পোস্ট সার প্রস্তুত, ক্ষুদ্র ব্যবসা। এই প্রকল্পের সব নারীরা এখন স্বাবলম্বী।
রাকুদিয়া গ্রাম পরিদর্শন শেষে উজিরপুর উপজেলার ভরসাকাঠি গ্রামে যান বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট। এই গ্রামের সোলার প্যানেল ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন তিনি।

পিএনএস/মো: শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech