‘বিচারপতি খায়রুল হকের বিচার হওয়া উচিত’

  

পিএনএস : মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় নিয়ে যেসব কথা বলছেন তা আদালত অবমাননাকর। এ জন্য খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এখনই কিছু করা দরকার। তাকে বিচারের আওতায় আনা দরকার।

তিনি বলেন, আদালত অবমাননার জন্য আমাকে শাস্তি পেতে হয়েছে। আমি আদালত অবমাননা করিনি। অবমাননা করেছেন বিচারপতি খায়রুল হক, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, অর্থমন্ত্রী। তাদেরও বিচার হওয়া দরকার। আইনের শাসন নিশ্চিত করতে দেশে একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করা দরকার।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ‘আইনের শাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আযোজন করে মৌলিক অধিকার সুরক্ষা কমিটি নামে একটি সংগঠন।

আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক ড. আসিফ নজরুল, রিদওয়ানুল হক, অপরাধ বিজ্ঞানী প্রফেসর ডা. মোজাহেরুল হক প্রমুখ।

আলোচনা সভা পরিচালনা করেন বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। আসিফ নজরুল বলেন, বিচারপতি খায়রুল হক ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় পূর্বপরিকল্পিত বলছেন। এটি জাতির সঙ্গে প্রতারণা। আদালত অবমাননার শামিল। এ জন্য খায়রুল হকের বিচার হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, যদি ষোড়শ সংশোধনী পূর্বপরিকল্পিত হয় তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে খায়রুল হকের দেয়া ত্রয়োদশ সংশোধনী কী ছিল। ত্রয়োদশ সংশোধনীর আংশিক রায়ের ১৬ মাস পর সেই রায়ের কপিতে তিনি সই করেন। বিচারপতি খায়রুল হক যে সমস্ত কাজ করেছেন তার অনেক কিছুই সাংঘর্ষিক।

অপরাধ বিজ্ঞানী প্রফেসর ডা. মোজাহেরুল হক বলেন, আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী যত সাইন্সের ব্যবহার বাড়াবে তত অপরাধ কমে যাবে। হাতের ছোয়া, থুথু, শব্দসহ বিভিন্ন বিষয়ের মাধ্যমে একজন অপরাধীকে চিহ্নিত করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে। এজন্য বিচারক, আইনজীবী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া প্রয়োজন।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল



 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech