পাহাড়ী কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে উদ্বিগ্ন মানবাধিকার কমিশন

  


পিএনএস ডেস্ক: বাংলাদেশের রাঙ্গামাটিতে একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর দুটি মেয়ে ধর্ষণ ও লাঞ্ছনার শিকার হয়ে নিরাপত্তা-হীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগ পাওয়ার পর বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন রবিবার এ নিয়ে কমিশনের এক বৈঠক ডেকেছে।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক জানিয়েছেন, তাদের হাতে যত আইনি ক্ষমতা আছে, তার সব কাজে লাগিয়ে তারা এই দুটি মেয়ের নিরাপত্তার জন্য ব্যবস্থা নেবেন। একইসাথে অপরাধীদের ধরে বিচারের ব্যবস্থা যাতে করা যায়, সে ব্যাপারেও কমিশন চেষ্টা করবে।

গত জানুয়ারিতে ঘটনার শিকার মারমা সম্প্রদায়ের একই পরিবারের এই দুটি মেয়েকে এতদিন পর্যন্ত রাঙ্গামাটির একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছিল।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, পরিবার চাপের মুখে রয়েছে- এই আশঙ্কায় তারা ঘরে ফিরতে ভয় পাচ্ছিলো।

কিন্তু জানা গেছে, পরিবারের পক্ষ থেকেই আদালতে মামলা করে হাসপাতাল থেকে ১৩ ও ১৮ বছরের মেয়ে দুটিকে গতকাল (শুক্রবার) তারা বিলাইছড়িতে তাদের বাড়িতে নিয়ে গেছে।

মানবাধিকার এবং পাহাড়ি কিছু সংগঠনের কর্মীরা সেসময় বাধা দিলে, সেখানে একটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির তৈরি হয়। অভিযোগ পাওয়া গেছে, চাকমা রাজা দেবাশীষ রায়ের স্ত্রী সেসময় হেনস্থার শিকার হন।

কথিত এই ধর্ষণের জন্য ঐ দুই কিশোরী বা তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো মামলা করা হয়নি।

মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক জানান জানুয়ারিতে এই ঘটনা একটি পত্রিকায় পড়ে, তারা এটি আমলে নেন এবং তদন্তের জন্য রাঙামাটির জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেন।

জেলা প্রশাসক এখনও তার তদন্ত রিপোর্ট পাঠাননি।

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech