জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মী আ.লীগে যোগদান

  

পিএনএস, গাইবান্ধা প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ডস ডকুমেন্টারি হেরিটেজ স্বীকৃতি পাওয়ায় গাইবান্ধার সাঘাটায় আনন্দ র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই অনুষ্ঠানে জাতীয় পার্টির ৫ শতাধিক নেতাকর্মী আওয়ামীলীগে যোগদান করেন।

গত মঙ্গলবার বিকেলে সাঘাটার জুমারবাড়ি ডিগ্রি কলেজ মাঠে সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. নাজমুল হুদা দুদু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া। এসময় তিনি দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার পাশে দাড়ানোর জন্য সবার প্রতি আহবান জানিয়ে সাঘাটা ফুলছড়ি উপজেলায় বর্তমান সরকারের উন্নয়ন মুলক বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।

ডেপুটি স্পীকার বলেন, ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন সেদিন বাংলাদেশের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে উজ্জীবিত করেছিল। তাঁর সেই ভাষন আজও আমাদের উজ্জীবিত করে। আমরা গর্বিত যে দেরীতে হলেও এর আর্ন্তজাতিক স্বীকৃতি পেয়েছি,যা বিরল। অন্য কোন দেশ বা জাতির ইতিহাসে এমন ঘটনা নেই। বঙ্গবন্ধুর মুক্তিযুদ্ধের সেই আহবান স্মরন রেখে তার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে মুজিব কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার পাশে আমাদের থাকতে হবে। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করবার আহবান জানান ডেপুটি স্পীকার ফজলে রাব্বী মিয়া।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, চিন্তাবিদ, বুদ্বিজীবি, আইনজীবি, চিকিৎসক, গবেষক, তারা পুঙ্খানুপুঙ্খুভাবে ভাষনের ২৬টি বাক্যের উপরে গবেষণা করে একটি বই লিখেছেন, যেটি রাজনীতির মহাকাব্য। সে কারণেই জাতির জনকের সেই ভাষণ ঐতিহাসিক ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করার পর ওই ভাষণটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সাঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ সরকার, প্রচার সম্পাদক মোখলেছার রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা ফরহাদ রাব্বী, কামরুল হাসান পারভেজ রোমান, আব্দুল মান্নান মন্ডল প্রমুখ।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল


 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech