তামিমকে থাকতে দিলেন না মাহমুদউল্লাহ

  

পিএনএস ডেস্ক : ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট জাতীয় লিগ শুরু হয়েছে আজ থেকে। শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে চট্টগ্রামের হয়ে ভালো শুরু পেলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তামিম ইকবাল। তবে ঢাকা মেট্রোপলিসের হয়ে ৩ উইকেটের দেখা পেয়েছেন মাহমুদউল্লাহ

বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কা সফরে দেশের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। এরপর আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট ও ত্রিদেশীয় সিরিজে খেলেননি। ছুটি নিয়েছিলেন ক্রিকেট থেকে। আজ থেকে শুরু হওয়া জাতীয় লিগ দিয়ে আবারও ক্রিকেটে ফিরলেন বাংলাদেশের এ ওপেনার। চট্টগ্রাম বিভাগের হয়ে ভালো শুরু পেয়েছিলেন তামিম। কিন্তু আউট হয়ে যান ৩০ রান করেই।

শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় স্তরে চার দিনের ম্যাচে আজ ঢাকা মেট্রোপলিসের মুখোমুখি হয়েছে চট্টগ্রাম। টস জিতে আগে ব্যাটিং করা চট্টগ্রামের হয়ে তামিমের সঙ্গে ওপেন করেন সাদিকুর রহমান। ৮০ রান পর্যন্ত টিকেছে দুজনের জুটি। জাতীয় দলের ক্রিকেটার মাহমুদউল্লাহর স্পিনে উইকেট দেন সাদিকুর। এরপর তামিমও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। চট্টগ্রামের দলীয় ৯৩ রানে তামিম ফিরতি ক্যাচ দেন সেই মাহমুদউল্লাহর হাতেই।

আউট হওয়ার আগে টেস্ট মেজাজেই খেলেছেন তামিম। ৩টি চারের মার থাকলেও খেলেছেন ১০৫ বল। তাড়াহুড়ো না করে উইকেটে ধাতস্থ হয়ে শুরু করেছিলেন জাতীয় দলের এ ওপেনার। বেশিক্ষণ টিকতে না পারার হতাশা থাকবে তাঁর। কিন্তু মাহমুদউল্লাহর খুশি হওয়ার কথা। জাতীয় দলে তাঁর শুরুটা হয়েছিল স্পিন অলরাউন্ডার হিসেবে। কিন্তু ধীরে ধীরে ব্যাটসম্যান হয়ে ওঠায় বোলিংটা আর নিয়মিত করা হয় তাঁর। তবে এই মাহমুদউল্লাহই চট্টগ্রামের টপ অর্ডারে ফিরিয়েছেন তিন ব্যাটসম্যানকে। তামিম ও সাদিকুরকে তুলে নেওয়ার পর মুমিনুল হককেও বেশিক্ষণ থাকতে দেননি তিনি। ব্যক্তিগত ১১ রানে আউট হন মুমিনুল। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩ উইকেটে ১১৪ রান তুলেছে চট্টগ্রাম।

২০১৫ সালে সবশেষ ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে খেলেছিলেন তামিম। সেটাও ছিল চট্টগ্রামের হয়ে। সেবার চার ম্যাচে এক সেঞ্চুরি ও ফিফটি তুলে নিয়েছিলেন তিনি। তামিমের মতো চার বছর পর জাতীয় লিগে ফিরেছেন মাহমুদউল্লাহও।

জাতীয় লিগে আজ চারটি ভেন্যুতে চারটি ম্যাচ গড়িয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ম্যাচে হানা দিয়েছে বৃষ্টি। রাজশাহীতে বরিশাল বিভাগের মুখোমুখি হয়েছে সিলেট বিভাগ। ফতুল্লায় ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে লড়ছে রাজশাহী বিভাগ। আর খুলনায় স্বাগতিকদের মুখোমুখি হয়েছে রংপুর বিভাগ।

পিএনএস-জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech