জলঢাকা পোস্ট অফিস ভবনটি ঝুকিপূর্ণ

  

পিএনএস,নীলফামারী : নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা পোস্ট মাস্টারের অফিস ভবনটি ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় চিঠিপত্র আদান-প্রদানের জন্য জীবনের ঝুকি নিয়ে ভয় ভিতির মাধ্যে কাজ করে যাচ্ছে অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। ভবনটি অনেক পুড়নো হওয়ার কারনে দেয়াল ও ছাদে ফাটল ধরে।

ভবনটি পূর্ণ সংস্কার করার জন্য অফিস কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন দপ্তর ও জনপ্রশাসনে আবেদন করলেও কোনো লাভ হয়নি বলে জানিয়েছে অফিস কর্তৃপক্ষ। ভবনের ভিতরে ঢুকলে মনে হয় এটি একটি কসাইখানা। কারণ দেয়ালের পলেস্টারের ধস ও ছাদের ফাটল ধরার কারনে ময়লা আবর্জনায় পরিপূর্ণ। অফিস ফাইলপত্র, চিঠিপত্র, জনসাধারণের আদানপ্রদান কারী মালপত্র গুলো ঘন্টার পর ঘন্টা পরিস্কার করেও পরিত্রাণ পায় না অফিস কর্মচারীগণ।

এখানে প্রতিদিন অফিসিয়াল কাজে শতশত সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী এবং অনেক জনসাধারণের আসা যাওয়া দেখে, হঠাৎ এ প্রতিবেদকের চোখে পড়ে পোস্ট অফিস ভবনটি। ভবনের চারপাশে ঘুরে দেখা যায়, অফিস দেখে ময়লা আবর্জনার একটি স্তুপ, অফিসের বারান্দা ও খোলা মাঠের আশেপাশে মানুষের প্রস্রাব পায়খানায় ভরাট। যা সামান্য বাতাস হলে চার দিকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।

এব্যাপারে উপজেলা পোস্ট মাস্টার ছাহেদ আলী জানান, পোস্ট অফিসটি বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব খাতের একটি প্রতিষ্ঠান। এখান থেকে প্রতি বছর ১৩,৯৩৮/- টাকা পৌর কর ও ১,৫৯০/- টাকা ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান করা হয়। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে অফিসের সামনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার কারণে লোকজনের চলাচলের অসুবিধা হয় ও দুর্গন্ধ আরো বৃদ্ধি পায়। এভাবে চলতে থাকলে পোস্ট অফিসটি একটি সৌচাগারে পরিনত হবে তিনি জানান। এ বিষয়ে পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল কমেট চৌধুরী জানায়, আমার কাজ হলো পৌর শহরকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা।

তবে যত তারাতারি পরিস্কার করার ব্যবস্থা করা হবে। নীলফামারী জেলা পোস্ট মাস্টার আব্দুল কাইয়ুমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান বিষয়টি রংপুরডেপুটি পোস্ট মাস্টার জেনারেলকে জানানো হয়েছে।

পিএনএস/মো: শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech