শেরপুরে বীজতলা তৈরী ও পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক

  

পিএনএস, শেরপুর (বগুড়া) সংবাদদাতা : এবার আমনের ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় কৃষক বেশ খুশি। তাই আমন ধান কাটা-মাড়াই ও বিক্রি শেষ করে বোরোর বীজতলা ও জমি তৈরীর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলার কৃষক। কারণ কয়েকদিন পরেই বোরো বীজতলা রোপণ শুরু হবে। এদিকে আবহাওয়া মোটামুটি অনুকূলে থাকায় বীজতলায় তেমন কোন রোগবালাই নেই। ফলে বীজতলায় সবুজের সমারোহ ফুটে উঠেছে। স্থানীয় কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে এই উপজেলায় ২০হাজার ৫৮০হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য ১হাজার ৩৭০হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরী করা হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঠজুড়ে বীজতলায় সবুজের সমারোহ। স্থানীয় কৃষকরা বীজতলা পরিচর্যায় ব্যস্ত। কেউ পানি সেচ দিচ্ছেন। আবার কেউ বোরোর জমি প্রস্তুত করছেন। এসময় কথা হয় কুসুম্বী ইউনিয়নের উঁচুলবাড়িয়া গ্রামের মোফাজ্জল হোসেন, সাধুবাড়ী গ্রামের শহিদুল ইসলাম, গোলাম রব্বানী, মির্জাপুর এলাকার শাহীন আলমের সঙ্গে। তারা জানান, আর কয়েকদিন পরেই বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন করে রোপণ শুরু করা হবে। আবহাওয়া মোটামুটি অনুকূলে থাকায় বীজতলায় তেমন কোন রোগবালাই হয়নি।

ইতিমধ্যে বীজতলার চারা লাগানোর উপযোগী হয়েছে বলে তারা জানান। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খাজানুর রহমান জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অনেক আগেভাগেই বোরো চাষের প্রস্তুতি শুরু করেন। তাই প্রায় ৮০ভাগ বীজতলার চারাগুলো লাগানোর উপযোগী হয়েছে। জমি তৈরীর কাজ শেষেই বোরোর রোপণ চারা লাগানো শুরু হবে। ধানচাষে কৃষক লাভবান হওয়ায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশাবাত ব্যক্ত করেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

পিএনএস/মো: শ্যামল ইসলাম রাসেল


 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech