মোরেলগঞ্জে বোরো ধানের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি

  

পিএনএস, মোরেলগঞ্জ : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় চলতি বছরে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকের মুখে তৃপ্তির হাসি ফুটেছে। এক ফসলি আমনের পরে বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকরা এখন বেজায় খুব খুশি । লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ফলন হওয়ায় বোরো চাষে আগ্রহ বাড়ছে এলাকার কৃষকদের।

লবনাক্ততার কারণে এ উপজেলার ১৬ ইউনিয়নের কৃষকদেরকে ইতোপূর্বে শুধুমাত্র আমন ধান চাষবাদ করতে হত। ফলে সারা বছর এ এক ফসলের ওপরই নির্ভর করতে হতো কৃষকদের। বর্তমান তথ্য ও প্রযুক্তি অগ্রগতির ফলে কৃষকরা এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে। যে কারণে এলাকার কৃষকরা আমন ফসল ঘরে তোলার পর অন্যান্য জাতের ধান ও ফসল চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছে। চলতি বছরে এ উপজেলার ১৬ ইউনিয়নে ৪ হাজার ১৭০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষাবাদ হয়েছে।

এরমধ্যে হাইব্রিড ময়না, টিয়া, সাথী, হীরা, আলোড়ন, এসিআই,আফতাব জাতের বোরো ধান ৮৫০ হেক্টর জমিতে, বিআর-২, ব্রিধান-২৮,২৯,৪৭,৫০,৫৫,৫৮,৬১,৬৭, বিনা ধান-১০ ও ১৪ উফসী জাতের বোরো ধান ৩ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে এবং স্থানীয় কালি বোরো জাতের ৭০ হেক্টর জমি বোরো এ চাষাদের আওতায় আনা হয়। সব ইউনিয়নেই বোরো ধানের কম বেশি চাষাবাদ হলেও উপজেলা রামচন্দ্রপুর, বনগ্রাম, হোগলাপাশা, দৈবজ্ঞহাটী, চিংড়াখালী ইউনিয়নে বেশি চাষাবাদ হয়েছে। চলতি বছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪৭৮ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষাবাদ হয়েছে। হেক্টর প্রতি ৩ দশমিক ৭২ ভাগ ধান উৎপাদিত হয়েছে বলে কৃষক মজিবর রহমান জানান।

উপজেলা কৃষি অফিসার অনুপম রায় বলেন, এ ধানে ব্লাষ্ট রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা ও কৃষকদের মাঝে সচেতনা সৃষ্টির কারনে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক ফসল উৎপাদিত হয়েছে। উপ-সহকারী কৃষি অফিসার জাকির হোসেন বলেন, বোরো চাষীরা এ ধান ফলিয়ে ভালো লাভবান হতে পারে। আর এ কারণেই বোরো ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। ##

পিএনএস/আলআমীন

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech