ডিমলায় ঝুনাগাছ চাপানীসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

  


পিএনএস, ডিমলা (নীলফামারী): সম্প্রতি নীলফামারীর ডিমলা উপজেলা খড়স্রোত তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৩২ সেঃমিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে প্রায় ২০ হাজার মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে।

তিস্তার পানিতে বণ্যা দূর্গতদের মাঝে ১৫ জুলাই দিনব্যাপী উপজেলা প্রশাসন আয়োজনে দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নের ৮ নং ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নে ছাতুনামা ভেন্ডাবাড়ী মৌজার পানি বন্দি ৫০৬ পরিবারের মাঝে ২০ কেজি করে চাউল এবং বসতবাড়ী ভাঙ্গা ৩৪ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ১ হাজার করে প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রেজাউল করিম, ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুর রহমান, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা এ টি এম আখতারুজ্জামান, উপজেলা ত্রাণ কর্মকর্তা বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মোঃ ফেরদৌস ইসলাম, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার যোগেন্দ্রনাথ সেন (টেগ), সাবেক যুগ্ন আহবায়ক বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ৮নং ঝুনাগাছ চাপানী ও সোনাখুলি হাজী জহরতুল্ল্যাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ গোলাম রব্বানী বাবু।

অপর দিকে ৯নং টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের পানি বন্দি ৫শত পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে গম বিতরন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহীন, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ রাজিউর রহমান (টেগ), বিআরডিপি পোডাকশন ম্যানেজার সুব্রত সরকার, ইউপি সদস্য গোলাম রব্বানী, ইব্রাহিম আলী, সাইদুল ইসলাম, ইমান আলী, সুভাষ চন্দ্র রায়।

এদিকে ৫ নং গয়াবাড়ী ইউনিয়নে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, ইউপি চেয়ারম্যান শরিফ ইবনে ফায়সাল মুন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোফাচ্ছেল হোসেন (টেগ), ইউপি সদস্য আমজাদ হোসেন সরকার, বাবর আলী, ইউপি সচিব নুরুল ইসলাম এর উপস্থিতে বন্যাদুগর্ত ৬ নং ওয়ার্ডে ২শত পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি করে চাউল বিতরন করা হয়।

বিতরণকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাঁর বক্তব্যে বলেন আমাদের কাছে ত্রাণ পর্যাপ্ত পরিমান মজুদ রয়েছে। বন্যার্তদের মধ্যে কেউ বাদ পরলে আমাকে অবহৃত করবেন।

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech