সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার উপরে

  

পিএনএস ডেস্ক: সিরাজগঞ্জে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। পানি কমতে থাকলেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত রয়েছে। শুক্রবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে শনিবার (১৫ জুলাই) সকাল ৬টা পর্যন্ত যমুনা নদীর পানি ৩ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৭৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলার অভ্যন্তরীণ করতোয়া, গুমানী, হুরাসাগর, ফুলজোড় নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন করে আরও ২৩টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের প্রায় ৭ হাজার মানুষ নতুন করে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে।

বন্যায় জেলার ৫০টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪৪টি ইউনিয়ন। জেলার বেলকুচি, শাহজাদপুর, কাজিপুর, সদর ও চৌহালী উপজেলার ২৪৭টি গ্রামের ৪৭ হাজার ৬৬০টি পরিবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

১৯৮০ ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ এবং ২৭২৭৭টি ঘরবাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৩২৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৬ কিলোমিটার বাঁধ ও রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১৭৬টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ৯১৪০ হেক্টর ফসলী জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যা কবলিত মানুষের জন্য ৩৫০ মেট্রিক টন চাল, ২ হাজার প্যাকেট শুকনা খবার ও নগদ ১২ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে বলে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানিয়েছেন।

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিক মো. ইউসুফ রেজা জানিয়েছেন, ৫টি উপজেলার ১৩৯টি বিদ্যালয়ের মাঠে ও ২৭টি বিদ্যালয়ের ভবনে পানি উঠেছে। কাজিপুর উপজেলার ফুলজোড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় যমুনা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

পিএনএস/হাফিজুল ইসলাম

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech