সুনামগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত দুই, আহত ১০

  

পিএনএস ডেস্ক : সুনামগঞ্জের দোয়রাবাজার উপজেলায় দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে বিএনপি নেতাসহ দুই জন নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ১০ জন।

শনিবার সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে চৌমুনা পয়েন্টে পৃথক এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উপজেলার গোরেশপুর গ্রামের বিএনপি নেতা শেরুজ্জামান ও বেরী গ্রামের মাসুক মিয়ার পক্ষের মধ্যে পৃথক সংঘর্ষে এই হতাহতে রঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিহত সেরুজ্জামান দোয়ারাবাজার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি গোরেশপুর গ্রামের মৃত উমর আলীর ছেলে। নিহত এবাদুল্লাহ বেরীগাঁও গ্রামের মৃত ফয়জুরর হমানের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দোয়ারাবাজার উপজেলার গোরেশপুর ও বেরীগাঁও গ্রামের দুটি পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। গত রমজানে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে গোরেশপুর গ্রামের ছয়ফুল ইসলাম নামের এক যুবকের দাঁত ভাঙে বেরীগাঁও গ্রামের একদল যুবক।

প্রতিশোধ স্বরূপ বেরীগাঁও গ্রামের কাওসার নামের এক যুবককে কুপিয়ে আহত করে গোরেশপুরের লোকজন। এইসব ঘটনার জের ধরে শনিবার বেলা ১১টার দিকে চৌমুনা পয়েন্টে বিএনপি নেতা সেরুজ্জামানকে রামদা দিয়ে কুপায় বেরীগাঁও গ্রামের একদল যুবক। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার। মৃত্যুর খবর গ্রামে আসার পর সেরুজ্জামানের উত্তেজিত সমর্থকরা বেরীগাঁওয়ের লোকজনদের সাথে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে এবাদুল্লাহ ঘটনাস্থলে নিহত হন। আহত হয় অন্তত আরও ১০জন।

উত্তেজনা থামাতে ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি শান্ত রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে প্রশাসন। দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এনামুল হক জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতয়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

পিএনএস/জে এ /মোহন

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech