বদলে গেছে সুন্দরগঞ্জে চরাঞ্চালের খেটে খাওয়া মানুষের জীবন

  

পিএনএস, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : অভাব অনটনের কারণে মঙ্গা প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত উত্তরের জনপদে এখন আর অনাহারী মানুষের মৃত্যুর বার্তা নিয়ে আসে না কার্তিক মাস। নানামুখী কাজকর্ম আর বিভিন্ন ফসল বদলে দিয়েছে এ জনপদের খেটে খাওয়মা শ্রমজীবী মানুষগুলোর জীবন-জীবিকার মান।

সুন্দরগঞ্জের খোর্দা চরের মোজা মিয়া কিছুদিন আগেও দু’মুঠো মোটা ভাতের জন্য তার স্ত্রী-সন্তানদের চোখে ছিল কষ্টের নোনাজল। অতি কষ্টে দিন অতিবাহিত করা এই মানুষটির সন্তানরা এখন তিন বেলাই দুধে-ভাতে খায়। মোজা মিয়ার মতো এই চরের আবুল,কুদ্দুছ ও জহুরাদের ক্ষুধার জ্বালা এখন শুধুই স্মৃতির পাতায়। আগে অভাবে দিন কাটলেও বর্তমানে সেই অবস্থা আর নেই বলে জানিয়ে তারা বলেন,আগে নিয়মিত খেতে পেতাম না কিন্তু এখন আর সেই অবস্থা নেই। ছেলে মেয়েদের আবদারগুলোও অনেকটা পুরণ করতে পারছি।

অনেকটাই বদলে গেছে নদী ভাঙ্গন,বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকা এই মানুষগুলোর জীবন। বিভিন্ন কাজকর্মের পাশপাশি ধান, পাট, গম ও ভুট্টাসহ নানান ফসল উৎপাদনের কারণে চরাঞ্চলে আর কার্তিক আর মঙ্গা দেয় না বলে জানালেন চরবাসীরা।

তারা বলেন, এখন আমাদের এখানে সকল ধরনের ফসল ফলে। এসব ফসল আবাদ করে ভালই যাচ্ছে আমাদের দিন। কেবল ভাতের নিশ্চয়তা নয়,সুষম খাবার নিশ্চিত করার জন্য খাদ্য আইন প্রণয়ণ ও বাস্তবায়ন দরকার বলে মনে করেন ২৯ গাইবান্ধা-১ আসনের সাংসদ গোলাম মোন্তফা এম,পি।

তিনি আরো বলেন দেশকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের আগে খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে। আর এটা নিশ্চিত করতে পারলেই সফলতা অর্জিত হবে। আজ সকালে হরিপুর খেয়া ঘাটে,খেটে খাওয়া (গাঁও ফাটা,পাও ফাটা) মানুষের সাথে বর্তমান গরীব ও কৃষি বান্ধব সরকারের নানাবিধ উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে মতবিনিময় কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech