রাজশাহীতে মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে পুকুরে বাস, নিহত ৩

  

পিএনএস ডেস্ক: রাজশাহীর পবা উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এতে আরো ৩০ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে রাজশাহীর পবা উপজেলার বায়ায় উত্তরা হিমাগারের সামনে খড়িবোঝাই ভটভটিকে ওভারটেক করতে গিয়ে যাত্রীবাহী বাসটি (ঢাকা মেট্রো-জ-০৪-০৬৬৩) এই দূর্ঘটনায় পতিত হয়। এসময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পুকুর উল্টে যায়। এই ঘটনায় আরো ৩০ জন বাস যাত্রী আহত হয়েছেন।

এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী স্বামী ও স্ত্রী মারা যায়। নিহতরা হলেন, শহিদুল ইসলাম (৩৫), তার স্ত্রী শামিমা খাতুন (৩০) ও বাস যাত্রী খুরশেদ আলী (৩৫)।

আহতদের মধ্যে ১৫ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খুরশেদ আলী মারা যান ।

এছাড়াও মোটরসাইকেলে থাকা তাদের ৭ বছরের মেয়ে গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, নওগাঁ থেকে রাজশাহীগামী একটি বাস বায়ার উত্তরা হিমাগারের সামনে একটি খড়িবোঝায় ভটভটিকে ওভারটেক করতে যায়। ওই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পুকুরে উল্টে যায়।

শাহ মখদুম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান জানান, ঘটনা শুনে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। নিহতদের লাশ রামেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও আহতদের উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

রাজশাহীতে ঘরের ভেতরে পাকা কবরে দাফন!
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এক ব্যক্তিকে ঘরের মেঝের উপরে ইট দিয়ে পাকা করা কবরে দাফন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার অনেকটাই ঘটা করে কবর পাকা করে তাকে দাফন করা হয়। জীবিত থাকা অবস্থায় ইচ্ছা পোষণ করায় পরিবারের লোকজন এ কাজ করেছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর তাজেন্দ্রপুর মোল্লাপাড়া গ্রামের এলাহী বক্সের ছেলে কায়েশ ভাণ্ডারী (৬৫) সোমবার বিকেল ৪টার দিকে মারা যান। এরপর দাফনের জন্য রীতিমত গোসল করিয়ে পাকা কবরে কায়েশ ভান্ডারীকে দাফন করা হয়।

তার বন্ধু নাজমুল ভান্ডারী জানান, তিনি ৩০ বছর আগে থেকেই পীর রশিদ ভান্ডারীর অনুসারী হিসেবে পীরের মুরিদ হন। তার বাড়ীতে প্রতি বছর ২৭ আশ্বিন ওরশ পালন করে আসছিলেন তিনি।

কায়েশ ভান্ডারীর স্ত্রী টগরী বেগম ও তার চার ছেলে সবাই জানান, গত কয়েক বছর ধরে তাদের বলে আসছিলেন যে, আমি মারা গেলে আমার কবর ঘরের ভেতর এবং কবরটি যেন চারিদিকে পাকা করে ঘিরে দেয়া হয়। তার এই চাওয়া পুরণ করা হয়েছে বলে জানান তারা।

গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিপজুর আলম মুন্সি জানান, মৃত ব্যক্তির পরিবার ও তার আত্মীয়-স্বজনের মতামতের ভিত্তিতে কাফন দাফন সম্পন্ন করে পাকা ঘরেই কবর দেয়া হয়।

পিএনএস/হাফিজুল ইসলাম

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech