বর্ষা মৌসুম শুরু না হতেই বাড়ী-ঘর ও ফসলী জমি ভাঙ্গনের মুখে!

  



পিএনএস, ঝালকাঠি থেকে মো: নজরুল ইসলাম: ঝালকাঠিতে বর্ষা মৌসুম আসার আগেই তীব্র হয়েছে নদী ভাঙ্গন। সুগন্ধা, বিষখালী এবং গাবখান নদীর ভাঙ্গনে ইতোমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে অসংখ্য বাড়ী-ঘর ও ফসলী জমি। ভাঙ্গনের মুখ রয়েছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন স্থাপনা। জেলার বিভিন্ন স্থানে বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করে মরিচ, মুগ, ছোলা বুটসহ বিভিন্ন ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙ্গন রোধে মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ চেয়ে পাঠিয়েছে বলে জানিয়েছে।

ভাঙ্গন এলাকার জন প্রতিনিধিসহ কয়েকজন বলেন, ঝালকাঠিতে বর্ষা আসার আগেই সুগন্ধা, বিষখালী সহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। সেই সাথে নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে সুগন্ধা ও বিষখালীসহ জেলার বিভিন্ন নদ-নদীর ৮টি পয়েন্টে মোট ১০ কিলোমিটার বেড়িবাধ ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে ফসলি জমি, বসতবাড়ি সহ বিভিন্ন স্থাপনা। মাত্র তিন বছর আগে দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত দেউরি সাইক্লোন সেলটার কাম প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটি এখন বিষখালীর ভাঙ্গনের মুখে। যে কোন সময়ে এটি নদী গর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। অপরদিকে নলছিটি শহরের বেশ কয়েকটি এলাকায় ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। এড়াও ওই উপজেলার ভবানীপুর লঞ্চ ঘাট, স্কুল, বাজার, মসজিদ, বাদুরতলা বাজার, হদুয়া দরবার শরীফ, বৈশাখিয়া স্কুল এবং মাদ্রাসা, চাঁদপুরা প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অসংখ্য বসতবাড়ি ও ফসলি জমি ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে। অন্যদিকে রাজাপুর উপজেলায় বিষখালী নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ড, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাইনুল ইসলাম বলেন, নদী ভাঙ্গন বৃদ্ধি পাওয়ার কথা স্বীকার করে ঝালকাঠি পানি উনয়ন্ন বোর্ড কতৃপক্ষ জানান, তারা ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রনালয়ে পাঠিয়েছে। বরাদ্দ পেলেই ভাঙ্গন রোধের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech