কাহারোলে ডিজিটাল সেন্টারগুলোতে জনগণের কাঙ্খিত সেবা

  

পিএনএস, কাহারোল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : বর্তমান সরকারের আমলে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাল তথ্য ও সেবা সমূহ। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকার দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে গড়ে তুলেছেন ডিজিটাল সেবার সেন্টার গুলো। আর এদিক থেকেও পিঁছিয়ে নেই দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গুলো। এসব সেবা কেন্দ্র থেকে প্রতিনিয়ত গ্রাম-গঞ্জের জনসাধারণ সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ-জনেরা সেবা নিতে দেখা যাচ্ছে। আর জনসাধারণ তাদের মূল্যবান সময় অপচয় বা টাকা খরচ করে এখন আর শহরে যেতে হয় না। যেতে হয় ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে। এখন হাতের নাগালে বা ঘরে বসেই সব ধরনের সেবা নিতে পাচ্ছেন কাহারোল উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের আপামোর জনসাধারণ।

অত্র উপজেলার ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গুলোতে জনসাধারণ যেসব সেবা পাচ্ছেন প্রতিনিয়ত সেই গুলো হলো, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সনদপত্র, কৃষকের যাবতীয় জমির কাগজপত্রাদি, কম্পিউটার কম্পোজ, ওয়ারিশান সনদপত্র, প্রত্যয়ন পত্র, কাগজপত্র লেমিনেটিং করা, ছবি তোলা ও প্রিন্ট, শিক্ষার্থীদের অনলাইনের মাধমে মার্কশীর্ট ও চাকুরী প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে চাকুরীর আবেদন ফরম পূরণ ও প্রেরণ, দেশে-বিদেশের অনলাইনের মাধ্যমে ভিসা চেক সহবিভিন্ন কাগজপত্রাদি ফটোকপি করা, পাসপোর্ট ফরম পূরণ করা, ই-মেইল, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সহ এজেন্ট ব্যাংকিং সমূহ ইত্যাদি।

এদিকে কাহারোল উপজেলা সদরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত মুকুন্দপুর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে সুবিধা গুলো দিয়ে আসছে প্রায় ৫ বছর ধরে। বর্তমান আ’লীগ সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গড়ে তোলার কারণে ঘরে বসেই সেই সেবা পাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। এসব সেবা প্রাপ্তির মধ্যে মুকুন্দপুর ইউনিয়নের ডহন্ডা গ্রামের রিক্তা খাতুন, রিপা খাতুন জন্ম নিবন্ধন সনদ পত্র এবং ঋণের জন্য আবেদন করতে আসা একই ইউনিয়নের সুশিল চন্দ্র রায়, জন্ম নিবন্ধন সনদ নিতে আসা সাবেক ইউ,পি সদস্য কায়দে আজম সহ উপস্থিত অনেকেই জানান, এই সরকারের আমলে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র গুলোতে আসার মাত্রই আমাদের কাঙ্খিত সেবা পেয়ে থাকি।

ভবিষ্যতে এ সেবার মান যেন দিন দিন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায় সেই জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। উপজেলা সদরের মুকুন্দপুর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা সুমন মিয়া জানান, প্রায় অত্র ইউনিয়নের ২ লক্ষ্যাধিক মানুষকে বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে যাচ্ছি ডিজিটাল সেন্টারের জন্মলগ্ন থেকে অদ্যাবধি। সেবার পাশাপাশি কম্পিউটার ট্রেনিং প্রদানের মাধ্যমে মাসে গড় ২০-২৫ হাজার টাকা আয় করে থাকি। অত্র ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে বর্তমানে ৪-৫ জন শিক্ষার্থী সহ ৫০-৬০ জনকে কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছি। তবে বর্তমান সুযোগ্য ও মেধাবী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা’র নেতৃত্বে পরিচালিত আই,সি,টি বিভাগ ৬টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার গুলো সার্বিক কার্যক্রম প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাবে মনিটরিং করে আসছেন।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল


 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech