বিয়ে দেয়ার কথা বলে পাবনায় স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণ

  



পিএনএস ডেস্ক: পাবনার সুজানগর উপজেলায় ৭ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বড় বোন শুক্রবার সুজানগর থানায় আনাই খাঁ (৩৫) এবং নায়েব আলী (৩৪) নামে দুইজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর শুক্রবার বিকেলে সুজানগর থানা পুলিশ আনাই খাঁকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার আনাই খাঁ সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর খাপাড়া এলাকার মৃত জয়নাল খার ছেলে। অপর আসামি নায়েব আলী এখনও পলাতক রয়েছেন। নায়েব আলী সুজানগর পৌরসভার কাউন্সিলর সাহেবুল হাসানের ছোট ভাই।

মামলার বিবরণে স্বজনদের দেয়া তথ্যে জানা যায়, ওই স্কুলছাত্রীর বাড়ি নাটোর জেলায়। সে সুজানগরে বড় বোনের বাড়িতে থেকে পড়ালেখা করে। সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে ও সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র সজিব হোসেনের সঙ্গে ওই স্কুলছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে মেয়েটি ২০ হাজার টাকা এবং কিছু স্বর্ণের গহনা নিয়ে সজিবের সঙ্গে বিয়ে করার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পথে দুই যুবক তাদেরকে ধরে নিয়ে বিয়ে দেয়ার কথা বলে স্থানীয় কাউন্সিলর সাহেবুলের ছোট ভাই নায়েব আলীর বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে নায়েব আলী এবং আনারসহ ৬/৭ জন মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে বিয়ের জন্য আনা ২০ হাজার টাকা এবং প্রায় তিন ভরি স্বর্ণ কেড়ে নেয়।
খবর পেয়ে মেয়েটির স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বাড়িতে নিয়ে যায় এবং অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার পাবনা জেনারেল হাসাপাতালে ভর্তি করে।

সুজানগর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এজাহারে দুইজনের নাম থাকলেও আরও ৩/৪ জন ছিল। কিন্ত মেয়েটি তাদের নাম-পরিচয় বলতে পারছে না। শুক্রবার আসামি আনাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পিএনএস/হাফিজুল ইসলাম

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech