বীরগঞ্জ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সজিব-কে সংবর্ধনা

  

পিএনএস, দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের বীরগঞ্জের কৃতি সন্তান সজিব চন্দ্র রায় ২০১৮-২০১৯ সেশনের মেডিকেল কলেজের ভর্ত্তি পরীক্ষায় সারা দেশের মধ্যে ৩য় (তৃতীয়) স্থান অধিকার করায় উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সংবর্ধনা দেয়।

১১ অক্টোবর সকালে বীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর কনাফারেন্স রুমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জাহাঙ্গীর কবির এর সভাপতিত্বে এবং আরএমও ডাঃ মাহমুদুল ইসলাম পলাশ এর পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ জাকিরুল ইসলাম, ডাঃ মোঃ শাহ আলম, ডাঃ আফরোজ সুলতানা, ডাঃ সমরে দাশ, স্বাস্থ্য কমিটির সদস্য সাংবাদিক রতন ঘোস পিযুষ প্রমুখ।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সজীব চন্দ্র রায়ের পাশা-পাশি গর্বিত বাবা-মা কেও অভিনন্দন ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃন্ধ অর্শিবাদ স্বরুপ প্রীতি উপহার প্রদান করে সকল প্রকার সহযোগীতার আশ^াস দিয়ে বলেন তারা তার পাশে আছে ও থাকবেন।

অপরদিকে, পুজা উৎযাপন পরিষদ এর সাবেক সভাপতি বিমল চন্দ্র দাশ জানায়, বিকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তোফাজ্জল হোসেন কৃতি সন্তান সজিব চন্দ্র রায়’কে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাত কারে নিয়ে যাওয়ার সময় নির্বাহী অফিসারের কার্য্যালয়ে উপস্থিত পুজা উৎযাপন পরিষদ এর সভায় সজিব চন্দ্র রায়কে সুধী সমাজের সামনে উপস্থাপন করে তা সার্বিক সফলতা ও সৃধীবৃন্দের কাছে তার জন্য আশীর্বাদ কামনা করেন।

উল্লেক্ষ, মেডিকেল কলেজে ভর্ত্তি পরীক্ষায় সারা দেশের মধ্যে ৩য় (তৃতীয়) স্থান অধিকার অর্জন কারী সজিব চন্দ্র রায় দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার ১১ নং মরিচা ইউনিয়নের কাটগড় রাজাপুকুর গ্রামের বাসিন্দা।

সজিব চন্দ্র রায় এর বাবা মনোধর চন্দ্র রায় এর জমি বলতে বাড়ীর ভিটাটুকু ছাড়া আর কিছুই নেই। সংসারের ভরণ-পোষন নির্বাহের জন্য রিক্সাভ্যান চালাতেন ও কাঠুরের কাজ করতেন। মা চারুবালা রায় দিনমজুরের কাজ করেন। সে ২০১০ সালে পঞ্চম শ্রেনীর সমাপনি পরীক্ষায় কাটগড় রাজাপুকুর আদিবাসী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অংশগ্রহণ করে উপজেলায় প্রথম হয়ে আলোচিত হয়েছিলো। পরবর্তীতে স্থানীয় গোলাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৩ সালে জেএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ সহ ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি এবং একই বিদ্যালয় থেকে ২০১৬ সালে এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্ব অর্জন করে। এরপর ২০১৮ সালে সৈয়দপুর সরকারী টেকনিক্যাল কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাশ করে সে। সর্বশেষ এবারের মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউকে ১০০ নম্বরের মধ্যে ৮৫.৭৫ এবং সার্টিফিকেটে ২০০ নম্বরের মধ্যে ২০০ নম্বর পেয়ে সারাদেশের মেধাতালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ভর্তি পরীক্ষায় তার রোল নং-১৯০৯৩১।

পিএনএস/মোঃ শ্যামল ইসলাম রাসেল

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech