ভোলায় থমথমে পরিস্থিতি, সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ!

  

পিএনএস ডেস্ক :ভোলার বোরহানউদ্দিনে পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় এখনো সেখানে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। আইন-শৃঙ্খলার স্বার্থে ভোলায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন।

সোমবার (২১ অক্টোবর) সকাল থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

তিনি জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে মিছিল সমাবেশ করতে দেওয়া হবে। পুরো জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুল সংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার রাতেই নিহত চারজনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। নিহতরা হলেন- বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মাহফুজুর রহমান পাটওয়ারী (৪৫), বোরহানউদ্দিন উপজেলার মহিউদ্দিন পাটওয়ারীর ছেলে মাহবুব পাটওয়ারী (১৪), মনপুরা হাজিরহাট এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান (৪০) ও বোরহানউদ্দিনের মো. শাহিন।

গেল বুধবার ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে বোরহানউদ্দিনে সংখ্যালঘু সম্প্র্রদায়ের এক যুবকের বিচারের দাবিতে 'তৌহিদী জনতা'র ব্যানারে বিক্ষোভ থেকে পুলিশের সঙ্গে এলাকাবাসীর ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে এক কিশোরসহ চারজন নিহত হন। দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে ১০ পুলিশ সদস্যসহ শতাধিক মানুষ আহত হন। সকাল ১১টার দিকে উপজেলা সদরের বোরহানউদ্দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে উত্তেজিত জনতা বোরহানউদ্দিন বাজারে ভাওয়ালবাড়ির একটি মন্দির ও সাতটি ঘর ভাঙচুর করে।

পুলিশ বলছে, বিপ্লব চন্দ্র শুভ নামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক যুবকের ফেসবুক থেকে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির একটি স্ট্ক্রিনশট ভাইরাল হলে দু'দিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। বিপ্লব নামের ওই যুবকের হ্যাক হওয়া আইডি থেকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার বক্তব্য ছড়ানোর ঘটনা থেকে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech