পটুয়াখালীতে পানিতে তলিয়ে গেছে নিম্নাঞ্চল

  


পিএনএস ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে পানিতে তলিয়ে গেছে পটুয়াখালীর চর ও নিম্নাঞ্চল আর ফসলি জমি। বাতাসে উপড়ে গেছে বহু গাছপালা। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আমনের ক্ষেত ও কাচা ঘরবাড়ী। এখনও হচ্ছে বৃষ্টি, বইছে দমকা হাওয়া।

গত ২৪ ঘণ্টায় পটুয়াখালী আবহওয়া অফিস ১৪০ মিলিমিটার ও কলাপাড়া রাডার স্টেশন ১৪৭ মিলিমিটার বস্টিপাত রেকর্ড করেছে।

শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের উত্তর রামপুর গ্রামে দমকা হওয়ায় বসত ঘরের পাশে রেইন্টি গাছ ঘরের উপর পরলে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান মৎস্যজীবি হামেদ ফকির (৬৫)।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সরোয়ার হোসেন।

এছাড়াও রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতে তলিয়ে গেছে চর ও নিম্নাঞ্চল। স্বাভাবিকের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তলিয়ে গেছে আমনের মাঠ। দমকা হওয়ায় উপড়ে পড়েছে বহু গাছ পালা। আমন ও কাচা ঘরবাড়ির বেশ কিছু ক্ষতি হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে জেলার কলাপাড়া, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, দশমিনা ও বাউফল উপজেলার চরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি চর জোয়ার আর বৃষ্টির পানিতে ২ থেকে ৩ ফুট প্লাবিত হয়েছে। বেশ কিছু কাঁচা ঘর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। রাঙ্গাবালী ও কলাপাড়ার কিছু ক্ষতিগ্রস্থ বেরীবাধ দিয়ে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রাধন কন্ট্রোল রুমে দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার গোলাম সরোয়ার জানান, ক্ষয় ক্ষতির তালিকা প্রস্তুুত করতে সময় লাগবে। তাই পরে জানানো হবে।

জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম জানান, বেশ কিছু এলাকা স্বাভাবিকের চেয়ে ২ থেকে ৩ ফুট পানিতে প্লাবিত হয়েছে। তবে বেশী ক্ষতি হওয়ার আশংকা রয়েছে আমনের। প্রতি উপেজলায় তালিকা তৈরীর কাজ চলছে, হাতে পেলেই দেয়া হবে।

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech