কেন্দুয়ায় ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি শিক্ষক গ্রেপ্তার

  

পিএনএস ডেস্ক : নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় মাদ্রাসাছাত্রীকে (১২) ধর্ষণ এবং গর্ভপাত করানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলার একমাত্র আসামি শিক্ষক আবদুল হালিম নেওয়াজ ওরফে সাগরকে (৩৫)গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যার পর কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আজ বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদ্রাসাশিক্ষক আবদুল হালিম নেওয়াজ ওরফে সাগরকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের চরআমতলা গ্রামের ওমর ফারুকের ছেলে এবং একই এলাকার আশরাফুল উলুম জান্নাতুল মাওয়া মহিলা কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এরইপ্রেক্ষিতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আজ বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার রোয়াইলবাড়ি ইউনিয়নের আমতলা আশরাফুল উলুম জান্নাতুল মাওয়া মহিলা কওমী মাদ্রাসার ওই ছাত্রীকে কয়েক মাস আগে মাদ্রাসার টয়লেটে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আবদুল হালিম নেওয়াজ সাগর। এক পর্যায়ে ছাত্রীটি অন্তঃস্বত্ত্বা হয়ে পড়লে কৌশলে ওষুধ খাইয়ে তার গর্ভপাত করানো হয়। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মাদ্রাসাশিক্ষক সাগরকে একমাত্র আসামি করে গত ১৯ জানুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে (জোরপূর্বক ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর অপরাধ) কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা করেন। এরপর থেকে আসামি সাগর পলাতক ছিলেন।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, ছাত্রী ধর্ষণ ও গর্ভপাত করানোর মামলার পর থেকেই একমাত্র আসামি শিক্ষক সাগর পলাতক ছিলেন। অবশেষে কৌশলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এরইপ্রেক্ষিতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আজ বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পিএনএস-জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন