কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সুরক্ষা সরঞ্জাম না পেয়ে নার্সরা চরম অসন্তুষ্ট

  

পিএনএস (ইকবাল হোসেন মজনু) : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডিপ্লোমা নার্স ও মিডওয়াইফদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। মহামারি করোনা পরিস্থিতিতে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুরক্ষা সরঞ্জাম না পেয়ে তাদের মধ্যে এ অসন্তোষ বিরাজ করছে।


জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০ জন ‘এমবিবিএস’ মেডিকেল অফিসার, ১১ জন ‘ডিপ্লোমা’ উপ সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার, ১৫ জন ডিপ্লোমা নার্স ও তিনজন মিডওয়াইফ নার্স কর্মরত রয়েছেন।

বর্তমান সময়ে মহামারি ভাইরাস করোনা পরিস্থিতিতে হাসপাতালের ডাক্তারদের কিছুটা চিকিৎসা সুরক্ষা সরঞ্জামের ব্যবস্থা হলেও অধিক ঝুঁকি নিয়ে রোগীদের সেবাদানকারী নার্সদের জন্য পর্যাপ্ত চিকিৎসা সুরক্ষা সরঞ্জাম দেয়া হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মরত এক নার্স জানান, সরকারীভাবে নার্সদের সুরক্ষার জন্য কিছু দেয়া হয়নি। তবে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা সাহেবের দেয়া অনুদানের টাকায় আমাদেরকে কাপড়ের তৈরি নরমাল গাউন বানিয়ে দেয়া হয়েছে। যেটা করোনা বা জটিল রোগীর সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে মোটেই প্রযোজ্য নয়। রোগীদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে এখন একমাত্র আল্লাহর উপর ভরসা ছাড়া আর কোন উপায় নাই।

হাপাতাল সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতিতে সরকারিভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জন্য ২৩টি পিপিই ও তিন হাজার গ্লাভস দেয়া হয়েছে। এছাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে ৩০টি পিপিই দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে ডাক্তার নার্সদের সুরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের জন্য বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ একলাখ টাকা অনুদান দেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ সেলিমকে বার বার মোবাইল ফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে হাসপাতালের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র দাবি করেছে, নার্স ও মিডওয়াইফদের সুরক্ষা সরঞ্জামের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে।

পিএনএস/জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন