মাদারীপুরের ৪০ গ্রামে একদিন আগেই ঈদ উদযাপন

  

পিএনএস ডেস্ক: সৌদি আরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে হযরত সুরেশ্বরী (রা.) এর ভক্ত অনুসারীরা মাদারীপুরের ৪০ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ রোববার (২৪ মে) ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে। এবার করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারনে এলাকার দুটি মসজিদে সকাল ৯টায় একই সাথে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সুরেশ্বর দরবার শরীফের পীর খাজা শাহ সূফী সৈয়দ নূরে আক্তার হোসাইন জানান, সুরেশ্বর দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত জান শরীফ শাহ্ সুরেশ্বরী (রা.) এর অনুসারীরা প্রায় দেড় শত বৎসর পূর্ব থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের সাথে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদুল-ফিতর ও ঈদ উল আযহা পালন করে আসছেন। মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা, জাজিরা, মহিষেরচর, জাফরাবাদ, চরকালিকাপুর, তাল্লুক, বাহেরচরকাতলা, চরগোবিন্দপুর, আউলিয়াপুর, ছিলারচর, মস্তফাপুর, কালকিনির সাহেবরামপুর, আন্ডারচর, আলীনগর, বাঁশগাড়ী, খাসেরহাট, রামারপোল, ছবিপুর, ছিলিমপুর, ক্রোকিরচর, সিডিখান, কয়ারিয়া, রমজানপুর, বাটামারা, রাজারচর, শিবচরের পাচ্চর ও স্বর্ণকারপট্রিসহ মাদারীপুর জেলার চারটি উপজেলার অন্তত ৪০ গ্রামের ৩০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসলমান বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে রোববার ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চরকালিকাপুর ১৬ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি ও তাল্লুক গ্রামের সুরেশ্বর পীরের মুরিদ মোত্তাকিন আহমেদ সোহেল ফকির বলেন, ইসলাম ধর্মের সবকিছুই মক্কা শরীফ কেন্দ্রীয় হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। তাছাড়া মক্কা শরীফ থেকে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র ৩ ঘন্টা। তাই সৌদিআরবসহ মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলোর সাথে মিল রেখে আমরা রোজা রাখি ও ঈদ উদযাপন করি। সে হিসেবে রোববার আমরা ঈদ উদযাপন করছি। এবার ঈদগাহে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়নি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারনে এলাকার ফকির বাড়ি, সরদার বাড়ি জামে মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পিএনএস/এএ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন