সৈয়দপুর পৌরসভায় লড়াই হবে ত্রিমুখী

  


পিএনএস ডেস্ক: মাঠে নেই বিএনপি। এ সুযোগে প্রচারণায় এগিয়ে চলেছেন নৌকা, লাঙ্গল ও বিএনপির বিদ্রোহী মেয়র পদপ্রার্থী (নারকেল গাছ)।

প্রথম বারের মতো নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভায় আওয়ামী লীগের নারী প্রার্থী হয়েছেন রাফিকা আকতার জাহান বেবী।

১৬ জানুয়ারি সৈয়দপুর পৌরসভা নির্বাচন। প্রায় ৪০ বর্গকিলোমিটারের এ পৌরসভায় রয়েছে ১৫টি ওয়ার্ড। আর ভোটার সংখ্যা ৯৩ হাজার ৮৯৩ জন। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট দেবেন ভোটাররা। সৈয়দপুর পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে ৪১টি কেন্দ্রের ২৬৪টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন পাঁচজন প্রার্থী।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে রাফিকা আকতার জাহান (নৌকা), জাতীয় পার্টির আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাফেজ নূরুল হুদা (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে বর্তমান মেয়র অধ্যক্ষ আমজাদ হোসেন সরকার (নারকেল গাছ) ও রবিউল আউয়াল রবি (মোবাইল ফোন) লড়ছেন।

বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুর রহমানকে।

কিন্তু অসুস্থতার কথা বলে তিনি নির্বাচন থেকে সড়ে দাঁড়ান। ফলে বিএনপির প্রার্থী নেই সৈয়দপুরে। আছে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। আর ওই বিদ্রোহীর পক্ষেই প্রচারণায় যুক্ত হয়েছেন দলের নেতাকর্মীরা। বিএনপির বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী বর্তমান মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার। তার প্রতীক হলো নারকেল গাছ। দলের নেতাকর্মীরা বলছেন, ধানের শীষ নেইতো কি হয়েছে? নারিকেল গাছই আমাদের প্রতীক।

মেয়র আমজাদ হোসেন সরকারের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন বিএনপি ও অঙ্গ দলগুলো। বিএনপি নেতা অধ্যক্ষ আবদুল গফুর সরকার বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ। ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। মেয়র আমজাদ পুনরায় নির্বাচিত হবেন।

ধানের শীষ নেই। এ সুযোগ কাজে লাগাচ্ছেন আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী। জাতীয় পাটির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের অভিযোগ অতীতের মেয়ররা গুরুত্বপূর্ণ সৈয়দপুর পৌরসভার উন্নয়নে তেমন কিছুই করেননি। ফলে শহরের যানজট, জলাবদ্ধতা, নাগরিক সুবিধা কিছুই নেই।

এদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাফিয়া আকতার জাহান বলেন, নির্বাচিত হলে পৌর এলাকার রাস্তা-ঘাট, ড্রেনসহ যাবতীয় উন্নয়ন করা হবে।

তিন নম্বর ওয়ার্ডের ভোটারও সমাজ সেবক আলমগীর হোসেন জানান, যে যাই বলুক সৈয়দপুরের ভোটে হবে ত্রিমুখী লড়াই।

নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। বাকি ১৪টি ওয়ার্ডে ৮১ জন সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পাঁচটি সংরক্ষিত আসনে ২১ জন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার ফজলুল করিম বলেন, উৎসব মুখর পরিবেশে নির্বাচনী প্রচারণা চলছে জানিয়ে রিটার্নিং অফিসার বলছেন, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি বা আচরণ বিধি ভঙ্গের অভিযোগ আসেনি। নির্বাচনী পরিবেশ ঠিক রাখতে পাঁচজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছেন।

পিএনএস/এসআইআর

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন