হরিপুর-চিলমারী সেতুর নির্মাণ কাজ পরিদর্শনে সাংসদ শামীম

  

পিএনএস, সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি : গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলাবাসির দীর্ঘ দিনের প্রাণের দাবি স্বপ্নের তিস্তা সেতুর নির্মাণ কাজ গতকাল শনিবার সকালে পরিদর্শন করেন ২৯ গাইবান্ধা-১ সুন্দরগঞ্জ আসনের সাংসদ ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি সেতু নির্মাণ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ, উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল মুনছুর, কঞ্চিবাড়ি তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক মোখলেছুর রহমান সরকারসহ স্থানিয় সুধীজন। ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের প্রথম সভায় গত বছরের ৬ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর-চিলমারি উপজেলা সদরের সঙ্গে সংযোগকারি সড়কে তিস্তা নদীর উপর ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ (দ্বিতীয় সংশোধীত) প্রকল্প অনুমোদন দেন। সিডিউল মোতাবেক ২০২৩ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হবে।

হরিপুর সেতু সংলগ্ন এলাকা হতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শহর পর্যন্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার পানি উন্নয়ন বোর্ডের বর্ন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি সেতুর সংযোগ সড়কে রুপান্তের কাজ এবং গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর ধাপেরহাট থেকে হরিপুর সেতু পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার সংযোগ সড়কের কাজ অনেকটা এগিয়ে রয়েছে। ২০১৪ সালের ২৫ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গাইবান্ধার সার্কিট হাউজে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হরিপুরÑচিলমারি তিস্তা সেতুর ভিত্তি উদ্বোধন করেন ।

কুড়িগ্রামের চিলমারি, রাজীবপুর,রৌমারী এবং গাইবান্ধা জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল হরিপুর চিলমারি তিস্তা সেতুর। ৮৩০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা বরাদ্দে নির্মাণ করার হবে তিস্তা সেতু। এর মধ্যে ৩৭৮ কোটি ৪৭ লাখ টাকা মূল সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে। সড়ক নির্মাণে ব্যয় হবে ১০ কোটি ২৫ লাখ টাকা, নদী শাসনে ৮ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং জমি অধিগ্রহণে ব্যয় হবে ৬ কোটি টাকা। সেতুটিতে পিলার থাকবে ৩০টি এর মধ্যে ২৮টি পিলার থাকবে নদীর ভিতরে অংশে এবং ২টি পিলার থাকবে বাহিরের অংশে। সেতুর উভয়পাশে^ নদী শাসন করা হবে ৩.১৫ কিলোমিটার করে। সেতুর উভয় পাশে^ সড়ক নির্মাণ করা হবে ৫৭. ৩ কিলোমিটার। এর মধ্যে চিলমারি মাটিকাটা মোড় থেকে সেতু পর্যন্ত ৭.৩ কিলোমিটার এবং গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর ধাপেরহাট থেকে হরিপুর সেতু পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার। চিলমারী অংশে একসেস সড়ক সেতু থেকে কাশিম বাজার পর্যন্ত ৫.৩ কিলোমিটার এবং গাইবান্ধা ধাপেরহাট থেকে হরিপুর পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার। সেতুটি নির্মাণ হলে দুই জেলাবাসির স্বপ্ন পুরুন হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার অনেকটা পরিবর্তন হবে।

পিএনএস/এসআইআর


 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন