এসআই ও এএসআই’র বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ

  

পিএনএস ডেস্ক : নেত্রকোনার মদন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাউল ইসলাম ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার নেত্রকোনা পুলিশ সুপার বরাবর এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন উপজেলার ফতেপুর গ্রামের জামাল ভূঁইয়া।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ফতেপুর বাজারের ব্যবসায়ী জামাল ভূইয়ার চাচাতো ভাইয়ের তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী তানিয়া আক্তার শিপার অভিযোগের তদন্ত করতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি কামরুল ইসলাম ভূঁইয়ার বাড়িতে যান এসআই আশরাউল ইসলাম ও এএসআই আসাদুজ্জান। তার বাড়িতে কথাবার্তা শেষ করে জামাল ভূঁইয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ফতেপুর হাটশিরা বাজারে গিয়ে কথাবার্তার এক পর্যায়ে তারা বলেন, এক লাখ টাকা দিলে তানিয়ার সঙ্গে মীমাংসা করে দেবেন। অন্যথায় তানিয়ার পক্ষে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা জানান পুলিশের দুই কর্মকর্তা।

ভুক্তভোগী জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘টাকা দাবির সময়ে তাদেরকে বলি, আপনারা পক্ষপাতিত্ব কেন করছেন। সঠিক বিষয়টি তদন্ত করে দেখেন। তখন তারা আমাকে অশালীন ভাষায় গালমন্দ ও হুমকি দেন।’ এ ছাড়া পুলিশ প্রশাসনে নিজেদের আত্বীয়-স্বজন আছে জানালে দুই পুলিশ কর্মকর্তা আরও ক্ষিপ্ত হন বলে জানান জামাল ভুঁইয়া।

জামাল ভুঁইয়া জানান, তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সিসি ক্যামেরায় নিয়ন্ত্রিত। চাঁদা দাবি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের ফুটেজ রয়েছে। চাঁদার টাকা না দিলে মাদকদ্রব্য দিয়ে তাকে থানায় ধরে নিয়ে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে মদন থানার এএসআই আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ফতেপুরের কামরুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্ত্রীর অভিযোগের তদন্তের জেরে এই অভিযোগটি করেছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।’

অভিযুক্ত মদন থানার এসআই আশরাউল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি তানিয়ার অভিযোগের তদন্তে গিয়েছিলাম এবং জামাল ভূঁইয়ার দোকানেও গিয়েছিলাম। তবে এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। তানিয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই তারা এই অভিযোগটি করতে পারে।’

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী মুঠোফোনে অভিযোগের বিষয়ে জানান, মদন থানার এসআই ও এএসআই এর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির একটি অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি অনুসন্ধান করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিএনএস/জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন