ভারত কথা দিয়েছে, সীমান্তে আর হত্যাকাণ্ড ঘটবে না : সেতুমন্ত্রী

  13-09-2021 11:41PM

পিএনএস ডেস্ক: সীমান্তে আর হত্যাকাণ্ড ঘটবে না—ভারত সরকার এমন কথা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ভারতের সঙ্গে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। ভারত এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ সোমবার সকালে তাঁর বাসভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বিএনপি নেতাদের সীমান্ত নিয়ে কথা বলা প্রসঙ্গে বলেন, তাঁরা ভুলে গেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিনের সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়েছে শেখ হাসিনার হাত ধরেই। বিএনপি মুখে ভারতবিরোধিতার ফেনা তুললেও সে দেশের সঙ্গে নতজানু অবস্থান নিয়েছিল; যা তাদের সময়কালে দেশবাসী দেখেছে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, শেখ হাসিনার সাহসিকতা ও কূটনৈতিক দক্ষতায় বহু বছরের পুরোনো ছিটমহল বিনিময় এবং সীমান্ত সমস্যা আন্তরিকতাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। বিএনপি তাদের শাসনামলে কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। বরং প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে অবিশ্বাস আর আস্থাহীনতার দেয়াল তুলেছিল। শেখ হাসিনার সরকার দেশ ও জনগণের স্বার্থকে সমুন্নত রেখে অবিশ্বাসের দেয়াল ভেঙে তৈরি করেছে সম্পর্কের সেতুবন্ধ।

সীমান্ত সমস্যাকে জিইয়ে রেখে যাঁরা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছিলেন, যাঁরা ভারত সফরে গিয়ে পানি সমস্যা নিয়ে কথা বলতে ভুলেই গিয়েছিলেন, ভারতে সরকার পরিবর্তনের পর যাঁরা ভারতীয় দূতাবাসের বন্ধ দরজায় ফুল আর মিষ্টি নিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন—এর চেয়ে নতজানু নীতি আর কী হতে পারে? আওয়ামী লীগের হাতেই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিরাপদ বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

এদিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানার ৬৭তম জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের পক্ষ থেকে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের প্রাণঢালা অভিনন্দন, শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার পর তাঁর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এক কঠিন এবং সংগ্রামী জীবন যাপন করেছিলেন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরাসরি রাজনীতিতে না এলেও বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সার্বক্ষণিক অনুপ্রেরণা হয়ে আছেন এই নির্মোহ এবং জনহিতৈষী ব্যক্তিত্ব।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সাদামাটা জীবনযাপনে অভ্যস্ত শেখ রেহানা লন্ডনে মেট্রো ও বাসে যাতায়াত করেন। চাকরি ও পরিশ্রম করেই সন্তানদের মানুষ করেছেন তিনি। তাঁর সন্তান টিউলিপ সিদ্দিক বর্তমানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে লেবার পার্টির সদস্য।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, সংকটে, সংগ্রামে বঙ্গমাতা বেগম মুজিব ছিলেন বঙ্গবন্ধুর সহযোদ্ধা, প্রেরণা ও শক্তির উৎস। ঠিক তেমনি শেখ রেহানাও পর্দার অন্তরাল থেকে শক্তি ও সাহস জুগিয়ে যাচ্ছেন বড় বোন শেখ হাসিনাকে। বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুর জীবনে যে ভূমিকা পালন করেছিলেন, শেখ রেহানাও সে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন বড় বোন শেখ হাসিনার জীবনে।

পিএনএস/এএ

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন