নোয়াখালীতে নির্বাচনি সহিংসতায় ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত ১২

  30-05-2024 09:55PM

পিএনএস ডেস্ক: নোয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতায় ৫ জন গুলিবিদ্ধসহ আহত হয়েছেন ১২ জন। বুধবার নোয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের পর সন্ধ্যার দিকে সদর উপজেলার ৯নং কালাদরাপ ইউনিয়নের উত্তর শুল্লুকিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার জানান, কেন্দ্রে দিনভর সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চলে। কোনো পক্ষ কোনো অভিযোগ করেনি। সন্ধ্যায় ভোটগ্রহণ শেষে আনারস প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করার পর নির্বাচনি সরঞ্জাম নিয়ে আমরা রওনা করলে কেন্দ্রের বাহিরে হোন্ডা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকরা ফলাফল মানি না বলে স্লোগান দিতে থাকেন। একপর্যায়ে পুলিশ ও প্রিসাইডিং অফিসারের ওপর হামলা করে। পুলিশের অস্ত্র ও নির্বাচনি মালামাল ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা চালায়।

এ সময় ভোট কেন্দ্রের সামনে হোন্ডা ও আনারসের সমর্থকদের পাল্টাপাল্টি স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ওই সময় টহল পুলিশ এসে অতর্কিত শটগানের গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই ৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। তাৎক্ষণিক স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তারা সবাই হাসপাতালের ১নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহতরা সবাই আনারস প্রতীকের জয়ী প্রার্থী একেএম সামছুদ্দিন জেহানের সমর্থক বলে জানা যায়।

সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সামছুদ্দিন জেহান মোবাইল ফোনে জানান, আমার সমর্থকরা নির্বচনি মালামাল রক্ষায় পুলিশের সহযোগিতায় এগিয়ে এসে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়েছেন। আমি তাদের চিকিৎসা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি।

সুধারাম মডেল থানার ওসি মীর জাহেদুল হক রনি জানান, তারা একটি ভোট কেন্দ্রে ঢুকে মালামাল লুট করার চেষ্টা করলে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার নিদেশে পুলিশ গুলি চালায়। এতে পুলিশের গুলিতে দুইজন সামান্য আহত হন। যারা আহত হয়েছেন তাদের পক্ষ থেকে পুলিশকে অফিসিয়ালি বা আনঅফিসিয়ালি কিছুই বলা হয়নি। যারা ভোট কেন্দ্রে আক্রমণ করেছে এ ঘটনায় প্রিসাইডিং অফিসার বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবে।

এসএস

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন