অপরাধ

পাউবো’র সচল পাম্পকে অচল দেখিয়ে শতাধিক কোটি টাকা লুটপাটের পায়তারা এখনো থামেনিঃ সজাগ মন্ত্রণালয়-(পর্ব-২)

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : পাউবো’র সচল পাম্পকে অচল দেখিয়ে শতাধিক কোটি টাকা লুটপাটের পায়তারা এখনো থামেনি। পাউবো’র চাঁদপুর ইরিগেশন প্রজেক্টের (সিআইপি) চরবাগাদী পাম্পিং স্টেশনে পাম্প প্রতিস্থাপনের নামে এই লুটপাটের মহড়া চলছে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এবং মাননীয় উপমন্ত্রী এই ধরনের অপচয় এড়াতে বিশেষ নির্দেশনা দিলেও জনৈক প্রভাবশালী কর্মকর্তার ইশারায় দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট এই লুটপাটের ষজ্ঞ চালিয়ে নেয়ার চক্রান্ত করছেন। যদিও পাউবো’র অত্যন্ত সজ্জন কর্মকর্তা কাজী তোফায়েল হোসেন

পাউবো’র সিআইপি’র পাম্প প্রতিস্থাপনের নামে ১১৭ কোটি টাকা অপচয়ের পাঁয়তারা- (পর্ব-১)

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : পাউবো’র চাঁদপুর ইরিগেশন প্রজেক্টের (সিআইপি) চরবাগাদী পাম্পিং স্টেশনের পাম্প প্রতিস্থানের নামে দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট প্রায় ১১৭ কোটি টাকা অপচয়ের পাঁয়তারা শুরু করেছে। ইতিপূর্বে এই চক্র পাউবো’র বিভিন্ন পাম্প হাউজের পাম্পগুলোর প্রতিস্থাপনের নামে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। পাউবো’র বিভিন্ন পাম্প হাউজে প্রতিস্থাপিত পাম্প খোলা বাজারে বা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রকৃত মূল্য কত? ব্যাংকের এলসির মাধ্যমে আর্থিক লেনদেন বা প্রতিস্থাপিত যন্ত্রপাতিগুলো বর্ণিত কোম্পানী থেকে

গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকটি ই/এম ডিভিশনে কোটেশন বাণিজ্য চলছে অতি প্রকাশ্যেঃ দেখার কেউ নেই - (পর্ব-২)

  

পিএনএস (মো: শাহাবুদ্দিন শিকদার) : গণপূর্ত অধিদপ্তরের কয়েকটি চিহ্নিত ই/এম ডিভিশনে কোটেশন বাণিজ্য চলছে অতি প্রকাশ্যে। এই সমস্ত চিহ্নিত দুর্নীতিগ্রস্থ ই/এম ডিভিশনে ঘণ্টা খানেক ঘুরাফিরা করলেই নিশ্চিত কোটেশন বাণিজ্যের হাট-বাজার আপনার নজর কাড়বে। পর্দা কাণ্ড, চাঁদর বাণিজ্য, ২০ কোটি টাকার চেক বাণিজ্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের মান-ইজ্জত ক্ষুণ্ণ করলেও কয়েকটি চিহ্নিত দুর্নীতিগ্রস্থ ই/এম ডিভিশন হচ্ছে গণপূর্ত অধিদপ্তরের দুর্নীতির সুড়ংগ পথ যেখান দিয়ে সুড়সুড় করে বেরিয়ে যায় গণপূর্ত অধিদপ্তরের অর্থ-কড়ি। ২০ কোটি টাকার

গণপূর্ত অধিদপ্তরে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে চেকের মাধ্যমে ঘুষ লেনদেনঃ কোটেশন বাণিজ্য চলছে প্রকাশ্যেইঃ দেখার কেউ নেই- (পর্ব-১)

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : বালিশ কাণ্ড। পর্দা কেলেংকারীসহ অসংখ্য দুর্নীতির খবরে ব্যাপক সমালোচনা যখন আকাশ ছুয়েছে ঠিক তখনই গণপূর্ত অধিদপ্তরের এক শীর্ষ প্রকৌশলী স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করে চেকের মাধ্যমে ঘুষ লেনদেনের ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ২০ কোটি টাকা লেনদেনের এহেন খবর পত্র-পত্রিকার প্রকাশিত হলেও দায়ী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কারো কেশাগ্র স্পর্শ করেনি কেউ। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে কোন ব্যাখ্যা দেয়ার প্রয়োজন বোধ করেনি। এই ঘটনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রেরিত অভিযোগের

করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ পাউবো’র কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কেন ভাতাদি পাবে না- মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা-

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : আষার-শ্রাবণের বৃষ্টির রিমঝিম ধ্বনি যখন বাংলার মানুষের মনে কাব্যিক ছন্দ জাগ্রত করে তখন একটি সংস্থার মানুষের বুক কেপে উঠে। তখন ঘন মেঘে শুধু আকাশই কালো হয় না। বরং সরকারের একটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী-সচিব থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মন বেদনাসিক্ত হয়। চেহারা বিবর্ণ হয়ে যায়। ঝড়-জলোচ্ছ্বস-বৃষ্টি দেখলে সরকারী-বেসরকারী সকল লোকজন দ্রুত ঘরে ফিরে। স্ত্রী-সন্তানদের সান্নিধ্যে চলে যায়। অথচ সরকারের একটি সংস্থার লোকজন মাঝরাতে প্রিয়জনের উষ্ণ সান্নিধ্যকে

পাউবোর উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ কমালে খাদ্য সংকটের পাশাপাশি আর্থিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : করোনা বিপর্যয়ের দোহাই দিয়ে পাউবোর উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থ বরাদ্ধ কমানো হলে দেশে খাদ্য সংকট দেখা দিতে পারে বলে বিশেষজ্ঞমহল গুরুত্বারোপ করেছেন। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, দেশের খাদ্য উৎপাদনে পাউবোর সেচ প্রকল্প এবং বাঁধগুলো ব্যাপক ভূমিকা রাখে। মৌলভীবাজারের মনু নদী প্রকল্প, চাঁদপুরের মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প এবং চাঁদপুর ইরিগেশন প্রকল্প(সিআইপি), ফেনীর মুহুরী প্রকল্প, বরিশালের সাতলা-বাগদা প্রকল্প, তিস্তা সেচ প্রকল্প, জিকে প্রকল্প, দিনাজপুরের ডেপা সেচ প্রকল্প, বেড়া সেচ

পাউবোর বাঁধ ভেঙ্গে যাবেই

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : পাউবোর বাঁধ ভেঙ্গে যাবেই। প্রচলিত তরীকায় বাঁধ রক্ষার কোন সুযোগ নেই। সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় এলেই বাঁধ ভেঙ্গে যাবেই। বাঁধ রক্ষা করতে হলে পানি সম্পদ মন্ত্রনালয়কে বাঁধের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ বা সংস্কারের ব্যবস্থাপনাকে জোরদার করতে হবে। এই জন্য এই খাতে অর্থ বরাদ্ধ বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিকল্পনা এবং নকশা ইউনিটকে দীর্ঘসূত্রীতা পরিহার করতে হবে। পর্যালোচনায় দেখা গিয়েছে, পাউবোর অনেক বাঁধ তৈরীর পর বছরের পর বছর এগুলোর মেরামত বা সংস্কার করা হয় না। পরিস্কারভাবে বললে বলতে হয়, টাকা

নড়িয়ায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত অগ্রাধিকার পাউবো’র প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা- পাউবো এবং আইডব্লিউএম-এর মধ্যে সমন্বয়হীনতা-

  

পিএনএস (মো: শাহাবুদ্দিন শিকদার) : শরীয়তপুরের নড়িয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত অগ্রাধিকার প্রকল্প বাস্তবায়নে পাউবো এবং আইডব্লিউএম-এর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা দিয়েছে। ফলে “শরীয়তপুর জেলার জাজিরা ও নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীর ডান তীর রক্ষা” শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দেশপ্রেমিক নৌবাহিনীর নেতৃত্বাধীন খুলনা শীপইয়ার্ড লিমিটেড আর্থিক ও কারিগরী ক্ষতির সম্মুখীন হবে যাতে করে প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় ধরণের বিঘ্ন সৃষ্টি

বিআইডব্লিউটিএ’র সুরতহাল : নৌরুটের ড্রেজিং কাজের টাকা ভাগাভাগি : দুদক-এর নথি ধামাচাপা

  

পিএনএস (মো: শাহাবুদ্দিন শিকদার): বিআইডব্লিউটিএ’র ২৬টি নৌরুটের টাকা ভাগাভাগি হয়েছে। বিগত তিন বৎসরে এই টাকা লুটপাট হয়েছে। এই ২৬টি নৌরুট হলো : ভোলা লক্ষীপুর নৌপথ (মেঘনা নদী), ২। ঢাকা বরগুনা নৌপথ (খাগদান নদী), ৩। ঢাকা-দূর্গাপাশা কারখানা-বগা-ঝিলনা-পটুয়াখালী নৌপথ, ৪। গলাচিপা পটুয়াখালী নৌপথ (লোহালিয়া-লাউকাঠি নদী, ৫। বরিশাল নাজিরপুর লালমোহন) তেতুলিয়া নদী ৬। লাহারহাট ভেদুরিয়া-শ্রীপুর ফেরীঘাট, ৭। ঢাকা-বরিশাল নৌপথ, ৮। বরিশাল নদী বন্দর (উলানিয়া-কালিগঞ্জ নৌপথ, ১০। হরিনা-আলুবাজার নৌপথ, ১১। চাঁদপুর

বিআইডব্লিউটিএ’র সুরতহালঃ ড্রেজিং বিভাগের শীর্ষ দুর্নীতিবাজদের পাহাড় সমান সম্পদঃ দুদক করে কি?

  

পিএনএস (মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার) : বিআইডব্লিউটিএ’র শীপ বিল্ডিং সেক্টরের কোন ঠিকাদারই গত এক যুগে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেনি। শত শত কোটি টাকা বিনিয়োগ করেও অধিকাংশ শীপ বিল্ডিং প্রতিষ্ঠান পথে বসেছে। বিভিন্ন বাহানায় চিহ্নিত এক দুর্নীতিবাজ তাদের শোষণ করেই পথে নামিয়েছে। নয়নাভিরাম ডকইয়ার্ড/শীপইয়ার্ড, উন্নত যন্ত্রপাতি এবং বিপুল টাকার বিনিয়োগ চলে গেছে ড্রেজিং ইউনিটের শীর্ষ দুর্নীতিবাজ এবং তার অনুগত শিষ্যদের পেটে। এতে করে কোন কোন শীপইয়ার্ড সময় মতো কাজ বুঝিয়ে দিতে পারেনি। ধারের নামে ঘুষ, কাজ মানসম্মত হয়নি বলে