ইসলাম

ইসলামে কী সেলফি তোলা জায়েজ?

  

পিএনএস ডেস্ক: ইসলামের দৃষ্টিতে সেলফি তোলা জায়েজ কি না তা নিয়ে সৌদি আরবের স্কলাররা পরস্পরবিরোধী ফতোয়া দিয়েছেন। এই ফতোয়া বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। পশ্চিমা বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রে সৌদি স্কলারদের এই ফতোয়ার বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন করা হচ্ছে। সৌদি আরবের স্থানীয় আরবি ভাষার একটি জাতীয় দৈনিকে সেলফি তোলা ইসলামে জায়েজ কিনা সেবিষয়ে স্কলারদের বিপরীতধর্মী ফতোয়া দেয়ার পর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। পশ্চিমা টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে

ছোট ছোট তাসবিহ প্রসঙ্গে বিশ্বনবী যা বললেন

  

পিএনএস, ইসলাম: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রিয় উম্মতের জন্য ছোট ছোট সহজ তাসবিহ-এর অনেক বড় বড় ফজিলত বর্ণনা করেছেন। পরকালের কঠিন দিন যেগুলো বান্দার সীমাহীন উপকারে আসবে। উম্মতে মুসলিমাকে আরো উপদেশ দিয়েছেন, ‘তোমার ঈমানকে খাঁটি কর। অল্প আমলই নাজাতের জন্য যথেষ্ট হবে।’এ রকম ছোট ছোট তাসবিহ-এর উপদেশমূলক ফজিলতপূর্ণ একটি হাদিস তুলে ধরা হলো-হজরত আবু মালিক হারেছ ইবনে আছেম আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

মুসা(আ:) এর প্রতি ফেরাউনের অগ্নি পরীক্ষা

  

পিএনএস, ইসলাম: আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাঁর ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। মানুষকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্য যুগে যুগে অসংখ্য নবি-রাসুল পাঠিয়েছেন। যারা মানুষের মাঝে তার কালেমার দাওয়াত ও সঠিক জীবন দর্শন তুলে ধরেছেন।রেসালাতের ধারাবাহিতকায় এ পৃথিবীতে আগমন করেন হজরত মুসা আলাইহিস সালাম। আল্লাহ তাআলা তাঁকে সবচেয়ে বেশি নেয়ামত দান করেছেন। কুরআনুল কারিমে হজরত মুসা আলাইহিস সালালামের নবুয়তি যুগের ব্যাপক আলোচনা ওঠে এসেছে।হজরত মুসা আলাইহিস সালামের মুখে জড়তা থাকার কারণে তিনি আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা

সিনেমা নিয়ে হ্যাপির অনুরোধ

  

পিএনএস ডেস্ক: সাম্প্রতিক সময়ে নানা চড়াই -উৎরাই পেরিয়ে মিডিয়ার একসময়ের তুমুল আলোচিত নায়িকা ফিরে এসেছেন সম্পুর্ন ইসলামের পথে। আলোচিত চলচিত্র অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপি নিজেকে আপাদমস্তক বদলে নিয়েছেন। জীবন-যাপন করছেন সম্পুর্ন ইসলামিক বিধি- বিধান অনুযায়ী।কোন ভাবেই আবার মিডিয়ায় ফিরে আসছেন না বলে বারকয়েক স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন এক সময়ের সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে ঝড় তোলা আলোচিত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপি।সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তার দেয়া নিয়মিত আপডেট থেকেই জানা যায়, তিনি

জীবন-যাপনে মুসলমানের করণীয়

  

পিএনএস, ইসলাম: কুরআন-সুন্নাহর বিধান পুরোপুরি মেনে চলা মুসলিম উম্মাহর নারী-পুরুষ সবার জন্য আবশ্যক। আল্লাহ তাআলা মানুষকে এ বিধান বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিয়েই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। মানুষের অর্পিত এ দায়িত্ব হলো প্রথমে নিজেই কুরআন সুন্নাহর আনুগত্য মেনে নেয়া এবং পরবর্তীতে কুরআন-সুন্নাহর বিধান বাস্তবায়নে অন্যকে দাওয়াত দেয়া। এ বিষয় দুটি সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো-প্রথমত : কুরআন সুন্নাহর নির্দেশের আনুগত্যকোনো শরিক ছাড়া একমাত্র আল্লাহর ইবাদাত-বন্দেগি করা এবং আল্লাহ ও রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া

শত্রুতা থেকে মুক্ত থাকতে যে দোয়া

  

পিএনএস, ইসলাম: সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যারা অটল ও অবিচল, আল্লাহ তাআলা তাদের ভালোবাসেন। দুনিয়াতে সত্য ও ন্যায়ের পথে চলতে গেলে মানুষের ওপর অশুভ শক্তির পক্ষ থেকে বিপদ-মুসিবত আসে। বিপদ-মুসিবত মোকাবেলার পাশাপাশি সর্বাবস্থায় আল্লাহ তাআলার সাহায্য কামনা করা আবশ্যক কর্তব্য। কারণ আল্লাহর সাহায্যই বান্দার জন্য সবচেয়ে বড় সাহায্য।রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুশমনের দুশমনি থেকে আত্মরক্ষায় ন্যায় ও সত্যের পক্ষে কাজ করা নির্দোষ মানুষের জন্য আল্লাহর সাহায্য কামনা করার জন্য হাদিসে বিশেষভাবে

আল্লাহকে ভয় করলে কি লাভ?

  

পিএনএস, ইসলাম: রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশ্বমানবতার জন্য মহান শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম সব বিষয়ই তাঁকে জিজ্ঞাসা করতেন। একবার তারাঁ বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তিকে?এমন প্রশ্নে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আল্লাহকে বেশি বেশি ভয় করা। এ সম্পর্কে তিনি সাহাবায়ে কেরমামের উদ্দেশ্যে একটি হাদিস বর্ণনা করেন। যা তুলে ধরা হলো-হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, একবার

হাশরের ময়দানে আল্লাহ তাআলার আগমন

  

পিএনএস, ইসলাম: কিয়ামত অনুষ্ঠিত হওয়ার মাধ্যমে পৃথিবীর সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা হরজত ইসরাফিল আলাইহিস সালামে সিঙ্গায় দ্বিতীয়বার ফুৎকার দেয়ার নির্দেশ দিবেন। সে নির্দেশে পৃথিবীর শুরু থেকে কিয়ামত অনুষ্ঠিত হওয়া পর্যন্ত সব মানুষ আবার জীবত হবে। সবার মাঝে থাকবে চরম পেরেশানী। সবাই মুক্তির অপেক্ষায় আত্মহারা পাগলপারা অবস্থায় সময় কাটাবে। সে সময়ের অবস্থা বর্ণনা ইমাম ইবনে জারির রহমাতুল্লাহি আলাইহি একটি হাদিস এনেছিন। যা হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হাদিসটি বর্ণনা করেছেন।যখন সব মানুষ

পোড়া মৃতব্যক্তির গোসলের বিধান

  

পিএনএস, ইসলাম: মানুষের মৃত্যুর পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মৃতব্যক্তিকে গোসল দেয়া। মৃত ব্যক্তি পুরুষ হোক আর নারী হোক তাকে গোসল দিতে হবে। গোসল দেয়ার সময় গোসলদাতা ও তাকে সাহায্যকারী ব্যক্তি ব্যতীত আর কারো উপস্থিত থাকা মাকরূহ।কোনো মানুষ যদি আগুনে পুড়ে মারা যায়; তাকেও গোসল দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে গোসলের বিধান হলো->> যদি মুসলিম ও অমুসলিম একত্রে আগুড়ে পুড়ে মারা যায় এবং পার্থক্য করা সম্ভব না হয়, তবে তাদের মধ্যে যারা মুসলিম তাদের উদ্দেশ্যে সবাইকে গোসল, কাফন ও জানাজা করে দাফন করা।>> আগুনে পুড়ে মারা

জুমআর দিন মুসলমানদের জন্য অনেক মর্যাদাবান

  

পিএনএস ডেস্ক: ইয়াওমুল জুমআ বলতে জুমআর দিন বা শুক্রবারকে বোঝায়। এ দিনের ফজিলত ও মর্যাদা অনেক বেশি। হাদিসের বর্ণনা মতে, সপ্তাহের অন্যান্য দিনের চেয়ে শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার দিক থেকে জুমআর দিন অনেক মর্যাদাবান একটি দিন।এ দিনের রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফজিলত। যার বর্ণনায় রয়েছে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনেক উপদেশ। জুমআর দিনের মর্যাদা ও প্রাপ্তি নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস তুলে ধরা হলো-عَنْ أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ : قَالَ

Developed by Diligent InfoTech