পাকিস্তানে সংখ্যালঘুরা ‘অ-নাগরিক’ হিসেবে গণ্য

  


পিএনএস ডেস্ক: সম্প্রতি ২ এপ্রিল পাকিস্তানে গণতন্ত্র, বহুত্ববাদ ও মানবাধিকার কেন্দ্র (সিডিপিএইচআর) মানবাধিকার সংগঠন দেশটির ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জীবন ও পরাধীনতা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে সংখ্যালঘুদের ‘অ-নাগরিক’ হিসাবে গণ্য করার পিছনের কারণগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী সব নাগরিকের সমান অধিকার থাকলেও সংখ্যালঘুরা প্রতিনিয়ত অবরোধের মধ্যে জীবন যাপন করতে বাধ্য হন। তাদের বাক স্বাধীনতা এবং কোনো আইনগত সুরক্ষার অধিকারও নেই বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ, আহমদি এমনকি শিয়ারাও দেশটিতে 'অ-নাগরিক' হিসাবে বিবেচিত হন। আইন অন্য ধর্মের লোকদের শোষণ ও পরাধীন করার বড় একটি সরঞ্জামের মতো কাজ করে।

এতে আরও বলা হয়েছে, 'নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির (আইসিসিপিআর) মতো বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তির স্বাক্ষরকারী হয়েও পাকিস্তান আইন সংখ্যালঘুদের প্রতি ঘৃণামূলক বক্তব্য, সহিংসতা দ্বারা চিহ্নিত করে তুলেছে।'

বালুচ, পশতুন এবং সিন্ধিদের মতো কিছু জাতিগত সংখ্যালঘুরা পাঞ্জাব অধ্যুষিত সামরিক ও আমলাতন্ত্র দ্বারা নির্যাতিত হয়। বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা আন্দোলন এখানকার পাঞ্জাবি অধ্যুষিত সামরিক বাহিনীর দ্বারা সহিংসভাবে দমন করা হয়েছে। জাতিগত সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে জোরপূর্বক অপহরণ, ধর্ষণ, বলপূর্বক নিখোঁজ হওয়া এবং সামরিক বাহিনীর দ্বারা আটককৃতদের বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড প্রতিনিয়ত ঘটে পাকিস্তানে।

পিএনএস/আনোয়ার

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন