তরুণ প্রজন্মের বাকীন ভূঁইয়া রায়পুরে সর্বস্তরে সাড়া ফেলেছেন - রাজনীতি - Premier News Syndicate Limited (PNS)

তরুণ প্রজন্মের বাকীন ভূঁইয়া রায়পুরে সর্বস্তরে সাড়া ফেলেছেন

  

পিএনএস : লক্ষ্মীপুর-২ রায়পুর আসন থেকে তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি ঐতিহাসিকভাবে বনেদি পরিবারের গর্বিত সদস্য বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক সাঈদুল বাকীন ভূঁইয়া আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে এলাকায় সার্বক্ষণিক সময় দিচ্ছেন। দলীয় কর্মসূচির পাশাপাশি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। মানুষকে সহজে আপন করে নেওয়ার মতো বঙ্গবন্ধুর একটি গুণ তার মধ্যে থাকায় তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছেন।

মোগল আমলে বারো ভূঁয়ার এক ভূঁইয়া হাসান আলী ভূঁইয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরি সাঈদুল বাকীন ভূঁইয়া। যার পূর্বপুরুষরা ভুলুয়া স্টেটের জমিদার ছিলেন। সে সুবাধে লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী লুধুয়া ভূঁইয়াবাড়ির গর্বিত সন্তান বাকীন ভূঁইয়া। যার বাবা মরহুম মনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া আজীবন মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে গেছেন।

রাজনীতির পাশাপাশা সাঈদুল বাকীনের বাবা মানুষ গড়ার কারিগর মনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনারপাশাপাশি স্থানীয় ও জাতীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যাকে এক নামে চিনেন এবং জানেন। মরহুম মনোয়ার তার সন্তানদের দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হিসেবে নিজের আদর্শে শতভাগ গড়ে তোলেন।

জমিদার পরিবারের সদস্য হওয়ার পর দেশে প্রেসিডেন্ট প্রথা চালু থাকা অবস্থায় এ পরিবারেরই সদস্য সাহাবুদ্দিন ভূঁইয়া প্রেসিডেন্ট হিসেবে জনগণের সেবা করেছিলেন। সাঈদুল বাকীনের দাদা স্বাধীনতার আগে ও পরে মিলিয়ে ৩৫ বছর ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন। বনেদি ও প্রষিদ্ধ এ পরিবারটি একই বড় যে, এ এক বাড়িতেই ভোটার আছে সাড়ে ছয় হাজার। যাদের ভোটে অনায়াসে একজন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে যান।

বাবার শিক্ষকতার সুবাদে ঢাকার শাহীন কলেজ ও চট্টগ্রামে শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজে লেখাপড়ার সময় জনাব বাকীনের ছাত্র রাজনীতিতে হাতে খড়ি। পড়েন প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও। এ সময়টা সাঈদুল বিকন শিক্ষার্থীদের সমস্যা-সংকটে পাশে ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ছাত্র রাজনীতিতে সার্বক্ষণিক সময় দেন।

নিজের পারিবারিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি সাঈদুল বাকীন ভুঁইয়া বিয়ে করেন আওয়ামী রাজনীতিক এক পরিবারে। তার শ্বশুর বঙ্গবন্ধুর সময়ে সংসদের কনিষ্ঠতম সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি হলেন এ কে এম শাহজাহান কামাল এমপি। যিনি বর্তমান বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী। তার স্ত্রীও বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ ডিগ্রিধারী। বলা যায় তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসা কেউ নন। নন নব্য। কারো হাত ধরে নন। জন্মই যার রাজনীতি ঘরানায় এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমৃদ্ধ ঐতিহ্যবাহী পরিবারে। দলীয় পরিবার ও তরুণ প্রজন্মের এ গর্বিত তরুণের জন্য কিছু করা মানে তারুণ্যের প্রতি সুবিচার করা। দল সেটা করবে বলে নজিরে কর্মগুণে শতভাগ বিশ্বাসী বাকীন ভুঁইয়া।

বয়সে তুরুণ ও সুদর্শন সাঈদুল বাকীন ভুঁইয়া পাবিরাবিকভাবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমদের নিকটাত্মীয়। গুণে ও আচরণে এমন তিনি এতটা এগিয়ে যে, বন্ধবন্ধুর মতো সহজেই যে কাউকে আপন করে নেওয়ার সহজাত গুণ তার মধ্যে আছে। যে কারণে দল-মত নির্বিশেষে এমনকি নিজ দলের প্রবীণ-নবীনদের মধ্যে তার অবস্থান অনেকটা প্রশ্নাতীত। এ যুগে যা ভাবাও কঠিন। অথচ তার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম।

সাঈদুল বাকীন ভুঁইয়া পতেঙ্গা (চট্টগ্রাম) ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আশির দশকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলেন নব্বইয়ের ছাত্র আন্দোলনের কঠিন সময়ে। বর্তমানে চট্টগ্রাম এক্স শাহীন অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট। নির্বাচনী এলাকা রায়পুরের ‘মীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়’, ‘লুধুয়া এম এম উচ্চ বিদ্যালয়’ ও ‘লায়লা ফাউন্ডেশন’-এর সভাপতি তিনি। সহ-সভাপতি- ভূঁইয়া পরিবার কল্যাণ পরিষদ, সম্পাদক- মরহুম সৈয়দ মকবুল আহমেদ স্মৃতি সংসদ, আজীবন সদস্য- লক্ষ্মীপুর জেলা সমিতি, সদস্য- বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন, নির্বাহী সদস্য- বন্ধু ফাউন্ডেশন, প্রধান উপদেষ্টা- বঙ্গবন্ধু পাঠগার। কোথায় নেই তিনি। এ বয়সেই প্রায় সর্বত্র যার সদর্প বিচরণ।

ছাত্র রাজনীতির সোনালী অধ্যায় রচনাকারী যুবনেতা সাঈদুল বাকীন ভূঁইয়া পারিবারিক ঐতিহ্য ধারণ করে এগিয়ে যাচ্ছেন তরতর করে। পচা-গলা-দুগর্ন্ধময় রাজনীতির মাঠে তিনি আবির্ভূত হয়েছেন ক্লিন-পরিচ্চন্ন ইমেজ নিয়ে। হানাহানি-কাটাকাটি ও খাইখাই চলমান অন্ধকার রাজনীতি থেকে যিনি যোজন যোজন দূরে। মানুষ, মানবতা আর সবাইকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে যাওয়ার উন্নয়নমুখী রাজনীতির প্রত্যয় যার রক্ত-মাংশে মিশে আছে। আর এ সত্যই তিনি প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন রায়পুরের মাটিতে।

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech