কিশোরগঞ্জ সদর আসনে সৈয়দ আশরাফ ইসলাম

  

পিএনএস ডেস্ক : অনিশ্চয়তা ও অবিশ্বাসের অবসান ঘটিয়ে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বিদেশে চিকিৎসাধীন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের মনোনয়নই চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমণ্ডির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে কিশোরগঞ্জ-১ আসন থেকে সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে একক প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিব নগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, অন্য তিন জাতীয় নেতার সঙ্গে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে শহীদ কিশোরগঞ্জের জাতীয় নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের বড় ছেলে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

তিনি দীর্ঘদিন লন্ডনে কাটিয়ে ১৯৯৬ সালে ফিরে এসে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর) আসন থেকে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেন।

তারপর একে একে ৪ বার কিশোরগঞ্জ-১ (সদর) এবং সংস্কারকৃত কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

শহীদ পিতা সৈয়দ নজরুল ইসলামের উত্তরাধিকার আর আস্থা ও বিশ্বাসের স্থান থেকে তিনি প্রথমে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এবং পরে দলের মুখপাত্র এমনকি সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপালনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রীর দায়িত্বপালন করে বর্তমানে জনপ্রশাসনমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন।

২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর দুরারোগ্য ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে প্রিয় সহধর্মিণী শিলা ইসলাম মারা গেলে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন স্বল্প ও মিষ্টভাষী নেতা সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেও ফুসফুসে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। প্রায় চার মাস আগে তাকে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এখনো তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গুরুতর অসুস্থতাজনিত কারণে তাই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনে তার সঙ্গে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক সহকারী মশিউর রহমান হুমায়ুনকে রেখে দলীয় মনোনয়নপত্র কেনা হয়।

সময়মতো থাইল্যান্ড থেকে টিপসই এনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়। ফলে এ আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় দু'জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। শুক্রবার আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় এ বিতর্কের অবসান ঘটল।

পিএনএস/জে এ

 

@PNSNews24.com

আপনার মন্তব্য প্রকাশ করুন
Developed by Diligent InfoTech